সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়-
Related Questions
ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১২০৪ সালে লক্ষ্মণ সেনকে পরিাজিত করে ‘বঙ্গ’ জয় করেন।
মুর্শিদ কুলি খান ছিলেন বাংলার প্রথম নবাব।
১৭০০ সালে শায়েস্তা খানের দক্ষ সুবাদার হিসেবে বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন মুর্শিদকুলী খান। তিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাথে বাংলার ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে সক্ষম হন। সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল মুঘল সম্রাটগণ দূরবর্তী রজ্যগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে পারেননি। ফলে এসব অঞ্চলের সুবাদারগণ অনেকটা স্বাধীনভাবে নিজেদের অঞ্চল শাসন করতে থাকেন। মুর্শিদকুলী খান ও অনেকটা স্বাধীন হয়ে পড়েন। নবাব মুর্শিদ কুলী খানের সময় থেকেই বাংলা সুবা প্রায় স্বাধীন হয়ে পড়ে। ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সূচনা করলে ও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করে শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
মুঘল আমলে প্রাচীন বাংলার গৌরব ' মসলিন কাপড়' ঢাকায় তৈরি হত।
মসলিন বিশেষ এক প্রকার তুলার আঁশ থেকে প্রস্তুতকৃত সূতা দিয়ে বয়ন করা এক প্রকারের অতি সূক্ষ্ম কাপড়বিশেষ। এটি ঢাকাই মসলিন নামেও সুবিদিত। ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে প্রস্তুত অতি চিকন সুতা দিয়ে মসলিন তৈরি করা হত।
ঢাকা ১৬১০, ১৬৬০,১৯০৫, ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ সালে অর্থাৎ মোট ৫ বার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।
মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ক্ষমতা গ্রহণ করে শেখ আলাউদ্দিন ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবেদার নিয়োগ করেন। ইসলাম খান সর্বপ্রথম ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে স্থানান্তরিত করে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
জব সলুশন