মধ্যযুগের অনুবাদ সাহিত্য রচনায় কোন মুসলিম শাসকের গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রয়েছে?
শাহ সুজা
শাহজাদা সুজা(শাহ সুজা হিসেবেও পরিচিত) বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি আপন ভাই শাহ জামানকে সরিয়ে সাত বছর ধরে মসনদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
স্থাপত্যকর্মের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ ছিল। ঢাকা থেকে তিনি মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করলেও ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল তার সময়ে। তন্মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত স্থাপনাটি হলো বড় কাটরা, আরো আছে ধানমন্ডির শাহী ঈদগাহ এবং লালবাগ মসজিদ। এ ছাড়া কুমিল্লায় রয়েছে শাহ সুজা মসজিদ।
Related Questions
সাহিত্য হলো একের সাথে অন্যের মিলনের মাধ্যমে। লোকসাহিত্য হলো জনসাধারণের মুখে মুখে প্রচলিত গাঁধা, কাহিনী, গান, ছড়া প্রবাদ ইত্যাদি।
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্যই হলো মঙ্গলকাব্য।
মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম কাব্য "মনসামঙ্গল"।
এ কাব্যের চাঁদ সদাগর চরিত্রটি দেবতা - বিরোধী হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর - চাঁদ সদাগর।
ময়মনসিংহ গীতিকা নয় - ভেলুয়া।
ময়মনসিংহ গীতিকা গুলো হল: মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ইত্যাদি।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র।
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পেড়ো - বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
যথাযথভাবেই রবীন্দ্রনাথ তার কাব্যকে তুলনা করেন “রাজকণ্ঠের মণিমালা” - র সঙ্গে। তার আর একটি বিখ্যাত কাব্য সত্যপীরের পাঁচালী। ভারতচন্দ্র ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার মৃত্যুর সাথে বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি হয়।
সৈয়দ হামজার সাহিত্যকীর্তি:
মধুমালতী (১৭৮৮) - পুথিঁ (বাংলা)
আমীর হামজা (১৭৯৫)
হাতেম তাই
ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে সংগৃহীত একটি পালা হলো 'মহুয়া' যার রচয়িতা দ্বিজ কানাই। এই পালার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলোঃ মহুয়া, নদের চাঁদ, হুমরা বেদে, সাধু ।
জব সলুশন