ফোর্ট উইলিয়াম” কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় কত সালে?
Related Questions
বঙ্গাক্ষরে মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ : মধী রচিত মিশন সমাচার (১৮০০)।
বাঙালি রচিত বঙ্গাক্ষরে মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র।
দোম আন্তোনিও দো রোজারিও বাংলার একজন খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচারক ছিলেন। তিনি বাংলা গদ্যরীতির প্রথম লেখক। [ দোম আন্তোনিও ব্রাহ্মণ রোমান ক্যাথলিক সংবাদ নামের একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। ১২০ পৃষ্ঠার গ্রন্থটিতে একজন ব্রাহ্মণ ও একজন রোমান ক্যাথলিকের ধর্মীয় বিতর্ক বিদ্যমান। পরবর্তীতে, গ্রন্থটি মানোএল দা আস্সুম্পসাঁউ কর্তৃক পর্তুগিজ ভাষায় অনূদিত হয় ও ১৭৪৩ সালে ফ্রান্সিসকো দা সিলভা অনূদিত গ্রন্থটি লিসবন থেকে প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে, সুরেন্দ্রনাথ সেন মূল পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেন ও গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন। ১৯৩৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তার সম্পাদিত গ্রন্থটি প্রকাশ করে। বইটি ছিল প্রথম বাংলা গ্রন্থ যেটি কোনো বিদেশি কর্তৃক অনূদিত হয়েছে।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যুগকে প্রধানত তিনটি পর্বে বিভক্ত করা হয়। যথা: প্রাচীন যুগ ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ, মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ এবং আধুনিক যুগ ১৮০১ - বর্তমান পর্যন্ত। গদ্য সাহিত্য আধুনিক যুগের বৈশিষ্ট্য। মধ্যযুগের অন্তর্ভুক্ত ১২০১ - ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ হলো অন্ধকার যুগ।
১৫৫৫ সালে আসামরাজকে লেখা কোচবিহারের রাজার একটি চিঠিকে বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন বলা হয়।
কোচবিহারের কোচ রাজা নরনারায়ণ, যাঁর প্রকৃত নাম মল্লদেব, তিনি ষোলো শতকের মাঝামাঝি সময়ে ১৫৫৫-৫৬ সাল নাগাদ অহোমরাজ স্বর্গনারায়ণ চুখাম ফা কিংবা সুখাম্পাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। কেঁচোর রসে লেখা সে চিঠিই বাংলা গদ্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলাপিডিয়া জানাচ্ছে, সে চিঠির ভাষা ছিল অসমিয়া, কামতাপুরি, সংস্কৃত, বাংলা ও ফারসি মিশ্রিত।
অপরদিকে বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ।
এটি ১৯০৭সালে প্রকাশিত হয়।
জব সলুশন