মোসলেম ভারত' নামক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ------
মোসলেম ভারত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছিল। ১৯২০ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলের সময় এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নামে মুসলিম শব্দ থাকলেও এতে অন্যান্য ধর্মের লেখকদের রচনাও প্রকাশিত হত।পত্রিকার প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা তুলে ধরা হত।এছাড়াও প্রচ্ছদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিম্নোক্ত বাণী উৎকীর্ণ ছিল: ‘মানব - সংসারে জ্ঞানালোকের দিয়ালি - উৎসব চলিতেছে। প্রত্যেক জাতি আপনার আলোটীকে বড় করিয়া জ্বালাইলে তবে সকলে মিলিয়া এই উৎসব সমাধা হইবে।’
Related Questions
মাওলানা আকরাম খাঁর সাহিত্য কর্ম:
সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়]
আমপারার বাংলা অনুবাদ
মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য
বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম
মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত)
তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মুক্তি ও ইসলাম
মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী (১৮৮৮ - ১৯৪০) লেখক, সাংবাদিক। ১৩৯৫ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক (নভেম্বর, ১৮৮৮) ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার অন্তর্গত মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ অফিসার। তাঁর প্রধান রচনা হলো: ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৮) ও মানব মুকুট (১৯২৬)।
গোলাম মোস্তফার অনন্য কীর্তি বিশ্বনবী। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় গ্রন্থগুলোর অন্যতম এ গ্রন্থখানি। বাংলা ভাষায় রচিত হজরত মুহাম্মদ সা: - এর জীবনী গ্রন্থগুলোর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বিশ্বনবী। গোলাম মোস্তফা রাসূল প্রেমিক সাহিত্যিক। তাই রাসূল সা: - এর প্রতি অগাধ প্রেম - ভালোবাসা থেকেই তিনি বিশ্বনবী রচনা করেছেন। প্রকৃতপক্ষে বিশ্বনবী গোলাম মোস্তফার ‘ইশক - ই - রাসূল’ (রাসূল প্রেম) - এর ফসল। বইটির পরতে পরতে তিনি নিজেকে ‘আশেকে রাসূল’ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। ইতিহাসের তথ্য, তত্ত্ব ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, দার্শনিক যুক্তি ইত্যাদি উপস্থাপনের মাধ্যমে হজরতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য তার প্রয়াস এ গ্রন্থে সর্বত্র। হজরতের জীবন ঘটনার কল্পচিত্র, সাবলীল বর্ণনা, আকর্ষণীয় উপস্থাপনা বিশ্বনবীর বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
জব সলুশন