আনোয়ার পাশার রচিত কোন গ্রন্থটি একটি কাব্যগ্রন্থ?
আনোয়ার পাশা (এপ্রিল ১৫, ১৯২৮-ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১) ছিলেন একজন বাংলাদেশি কবি ও কথাসাহিত্যিক। তাঁর পিতার নাম হাজী মকরম আলী আর মাতার নাম সাবেরা খাতুন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ঢাকার মিরপুরের বধ্যভূমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী আল বদর বাহিনীর সদস্যদের হাতে তিনি নিহত হন।
• আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস:
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।
• গল্পগ্রন্থ: নিরুপায় হরিণী।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী।
Related Questions
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেওয়া' (১৯৭০) - এর পরিচালক বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান। তার রচিত আরো কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো - কখনো আসেনি, সোনার কাজল, কাঁচের দেয়াল, বাহানা ,বেহুলা, সঙ্গম, আনোয়ারা । 'সঙ্গম' (১৯৭০) চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র।
- শহীদুল জহির বাংলা সাহিত্যে পরাবাস্তবতা ও জাদু বাস্তবতার প্রথম সফল আর্টিস্ট।
- শহীদুল জহির (১৯৫৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর) পুরান ঢাকার নারিন্দার ৩৬ ভূতের গলিতে (ভজ হরি সাহা স্ট্রিট) জন্মগ্রহণ করেন।
- তার প্রকৃত নাম মোহাম্মদ শহীদুল হক।
- তিনি অমর কিছু সাহিত্যকর্ম রেখে গেছেন।
- জয়েসের যেমন ছিল ডাবলিন, শহীদুল জহিরের ঠিক তেমনিই নারিন্দা ভুতের গলি।
- তার অন্যতম উপন্যাসগুলো হলো (জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা-১৯৮৮), (সে রাতে পূর্ণিমা ছিল-১৯৯৫), (মুখের দিকে দেখি-২০০৬) ইত্যাদি।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগুলো হল (ভালোবাসা -১৯৭৪), (পারাপার- ১৯৮৫), (আগারগাঁও কলোনিতে কেন নয়নতারা নেই- ১৯৯১), (ডোলু নদীর বাতাস- ২০০৩) ইত্যাদি।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ওয়াশিংটন ডিসির আমেরিকান ইউনিভার্সিটি ও বারমিংহাম ইউনিভার্সিটিতেও পড়ালেখা করেন।
- তিনি ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সহকারী সচিব পদে যোগ দেন।
- ২০০৮ এ তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে কাজ করে গেছেন।
- তিনি ২০০৮ সালের ২৩ মার্চ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হসপিটালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান, তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পঙক্তি দুটি আবদুল হাকিমের ‘নূরনামা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত ‘বঙ্গবাণী’ কবিতার। মধ্যযুগে বাঙালি মুসলমানগণ মাতৃভাষা বাংলাকে নিজেদের মনে না করে ফারসি - আরবি - উর্দুকে আপন ভাষা মনে করতো। এই ধরনের পরভাষা প্রীতিকে আঘাত করার জন্য কবি এ ধরনের পঙক্তি রচনা করেন।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ তাঁর প্রথম এবং কালজয়ী উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)-তে গ্রামীণ সমাজের এক বিশেষ দিক, অর্থাৎ ধর্মের নামে মানুষকে প্রতারণা এবং শোষণের বাস্তবতা অত্যন্ত গভীর জীবনবোধ ও মানবিক দৃষ্টিতে চিত্রিত করেছেন।
- 'লালসালু'র কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ — সে একটি বেওয়ারিশ কবরের ওপর লাল কাপড় ঢাকা দিয়ে ‘পীরের মাজার’ বানিয়ে নেয়। এরপর সেই মাজারকে ঘিরে সে ধর্মীয় ভয়, সংস্কার আর কুসংস্কারের মাধ্যমে সহজ-সরল গ্রামীণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।
তার উপন্যাসগুলো হলো :
- লালসালু
- চাঁদের অমাবস্যা
- কাঁদো নদী কাঁদো
তার নাটকগুলো হলো :
- বহিপীর
- তরঙ্গভঙ্গ
- উজানে মৃত্যু
- সুড়ঙ্গ
জব সলুশন