সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ 'লালসালু' উপন্যাসে মূলত কী বিষয়কে আলোচনার কেন্দ্রে এনেছেন?
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ তাঁর প্রথম এবং কালজয়ী উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)-তে গ্রামীণ সমাজের এক বিশেষ দিক, অর্থাৎ ধর্মের নামে মানুষকে প্রতারণা এবং শোষণের বাস্তবতা অত্যন্ত গভীর জীবনবোধ ও মানবিক দৃষ্টিতে চিত্রিত করেছেন।
- 'লালসালু'র কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদ — সে একটি বেওয়ারিশ কবরের ওপর লাল কাপড় ঢাকা দিয়ে ‘পীরের মাজার’ বানিয়ে নেয়। এরপর সেই মাজারকে ঘিরে সে ধর্মীয় ভয়, সংস্কার আর কুসংস্কারের মাধ্যমে সহজ-সরল গ্রামীণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।
তার উপন্যাসগুলো হলো :
- লালসালু
- চাঁদের অমাবস্যা
- কাঁদো নদী কাঁদো
তার নাটকগুলো হলো :
- বহিপীর
- তরঙ্গভঙ্গ
- উজানে মৃত্যু
- সুড়ঙ্গ
Related Questions
বাংলাদেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের গবেষণা গ্রন্থ পুরোনো বাংলা গদ্য।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।
সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥
- কাজী নজরুল ইসলাম। (চন্দ্রবিন্দু ১৯৩১)
'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি শেখ ফজলল করিম এর রচনা।
শেখ ফজলল করিম (৯ এপ্রিল ১৮৮২/বাংলা ৩০শে চৈত্র ১২৮৯ - ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬) একজন স্বনামধন্য বাঙালি সাহিত্যিক। তার লেখা কবিতার কয়েকটি লাইন,
কোথায় স্বর্গ?
কোথায় নরক?
কে বলে তা বহুদূর?
মানুষের মাঝেই স্বর্গ - নরক
মানুষেতে সুরাসুর
মোসলেম ভারত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছিল। ১৯২০ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলের সময় এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নামে মুসলিম শব্দ থাকলেও এতে অন্যান্য ধর্মের লেখকদের রচনাও প্রকাশিত হত।পত্রিকার প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা তুলে ধরা হত।এছাড়াও প্রচ্ছদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিম্নোক্ত বাণী উৎকীর্ণ ছিল: ‘মানব - সংসারে জ্ঞানালোকের দিয়ালি - উৎসব চলিতেছে। প্রত্যেক জাতি আপনার আলোটীকে বড় করিয়া জ্বালাইলে তবে সকলে মিলিয়া এই উৎসব সমাধা হইবে।’
জব সলুশন