মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি কার রচনা?
'মানুষেরই মাঝে স্বর্গ - নরক, মানুষেতে সুরাসুর' - এই উক্তিটি শেখ ফজলল করিম এর রচনা।
শেখ ফজলল করিম (৯ এপ্রিল ১৮৮২/বাংলা ৩০শে চৈত্র ১২৮৯ - ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬) একজন স্বনামধন্য বাঙালি সাহিত্যিক। তার লেখা কবিতার কয়েকটি লাইন,
কোথায় স্বর্গ?
কোথায় নরক?
কে বলে তা বহুদূর?
মানুষের মাঝেই স্বর্গ - নরক
মানুষেতে সুরাসুর
Related Questions
মোসলেম ভারত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছিল। ১৯২০ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলের সময় এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নামে মুসলিম শব্দ থাকলেও এতে অন্যান্য ধর্মের লেখকদের রচনাও প্রকাশিত হত।পত্রিকার প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা তুলে ধরা হত।এছাড়াও প্রচ্ছদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিম্নোক্ত বাণী উৎকীর্ণ ছিল: ‘মানব - সংসারে জ্ঞানালোকের দিয়ালি - উৎসব চলিতেছে। প্রত্যেক জাতি আপনার আলোটীকে বড় করিয়া জ্বালাইলে তবে সকলে মিলিয়া এই উৎসব সমাধা হইবে।’
মাওলানা আকরাম খাঁর সাহিত্য কর্ম:
সমস্যা ও সমাধান [এই গ্রন্থে লেখকের ইসলামে নারীর মর্যাদা, সুদ সমস্যা, চিত্র (ছবি তোলা) সমস্যা, সঙ্গীত সমস্যা এই চারটি প্রবন্ধ সংকলিত হয়]
আমপারার বাংলা অনুবাদ
মোস্তফা - চরিত (বর্তমানে খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মোস্তফা - চরিতের বৈশিষ্ট্য
বাইবেলের নির্দেশ ও প্রচলিত খ্রীষ্টান ধর্ম
মোছলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস (ঐতিহ্য হতে প্রকাশিত)
তাফসীরুল কোরআন(১ - ৫ খণ্ড) (খোশরোজ কিতাব মহল হতে প্রকাশিত)
মুক্তি ও ইসলাম
মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী (১৮৮৮ - ১৯৪০) লেখক, সাংবাদিক। ১৩৯৫ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক (নভেম্বর, ১৮৮৮) ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার অন্তর্গত মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে তাঁর জন্ম। পিতা এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ অফিসার। তাঁর প্রধান রচনা হলো: ধর্মের কাহিনী (১৯১৪), নূরনবী (১৯১৮), শান্তিধারা (১৯১৮) ও মানব মুকুট (১৯২৬)।
জব সলুশন