‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’-চরণ দুটি কার লেখা?
সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥
- কাজী নজরুল ইসলাম। (চন্দ্রবিন্দু ১৯৩১)
Related Questions
বঙ্গদর্শন উনিশ শতাব্দীতে প্রকাশিত একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বা সাময়িকপত্র। এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্থপতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১২৭৯ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ (১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দ, বারো এপ্রিল) তারিখে মাসিক বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়। সে সময়ে অবিভক্ত বাংলায় কোনো উন্নত মানের সাময়িকপত্র ছিল না। ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ থেকে ১২৮২ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস অবধি এর সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ১২৮৩ বঙ্গাব্দে এর প্রকাশ স্থগিত থাকে। ১২৮৪ বঙ্গাব্দ থেকে পত্রিকাটি পুনঃপ্রকাশিত হয় সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায়। শ্রীশচন্দ্র মজুমদার ১২৯০ বঙ্গাব্দের কার্তিক থেকে মাঘ পর্যন্ত ৪টি সংখ্যার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৩০৮ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩১২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন নবপর্যায়ে ৫ বৎসর প্রকাশিত হয়।
প্যারীচাঁদ মিত্রের ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল।
১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে এটি প্রকাশিত হয়।
ঠক চাচার নাম মোকাজান মিয়া।
অত্যন্ত ধূর্ত বুদ্ধি সম্পন্ন। এটি উপন্যাসের জীবন্ত চরিত্র।
'সোনার কাবিন' কাব্যগ্রন্থটি কবি আল মাহমুদের লেখা।
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ দিয়ে কবি আল মাহমুদ কবি প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করেছিলেন। এ কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা;জাতিস্মর, পালক ভাঙার প্রতিবাদে , তোমার আড়ালে, সোনালী কাবিন প্রভৃতি।
সরল সুদের সূত্রটি হলো: সুদ = (মূলধন × সময় × হার) / ১০০. এখানে, সুদে-আসলে ৫০,০০০ টাকা দেওয়া আছে, অর্থাৎ সুদ + মূলধন = ৫০,০০০ টাকা। আমরা মূলধনকে 'ক' ধরলে, সুদ হবে (৫০,০০০ - ক) টাকা। সুদের হার ৫% এবং সময় ২০ বছর।
সুতরাং, সূত্র অনুযায়ী:
(৫০,০০০ - ক) = (ক × ২০ × ৫) / ১০০
(৫০,০০০ - ক) = (১০০ক) / ১০০
৫০,০০০ - ক = ক
৫০,০০০ = ক + ক
৫০,০০০ = ২ক
ক = ৫০,০০০ / ২
ক = ২৫,০০০ টাকা
অতএব, মূলধন হল ২৫,০০০ টাকা।
বাংলাদেশের মৎস্য আইনে ২৩ সেন্টিমিটার কম দৈর্ঘ্যের রুই জাতীয় মাছের পোনা মারা নিষেধ।
দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট - ১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত । নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়। এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে ।
প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর ( আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি ) মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের ( ৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস , ঘনিয়া মাছের পোনা মারা নিষেধ।
রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি বাজাতে থাকলে প্লাটফর্মে দাড়ান ব্যাক্তির কাছে বাঁশীর কম্পনাঙ্ক-
শব্দের উৎস থেকে কম্পাঙ্ক যেদিকে যায়, শব্দের উৎস তথা ট্রেন সেদিকেই এগোতে থাকলে কম্পাঙ্কের ঘনত্ব বাড়ে, এতে শব্দের তিব্রতা বাড়ে
জব সলুশন