মুক্তিযুদ্ধভিত্তক নাটক কোনটি?
"পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়" সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য।
‘নূরলদীনের সারাজীবন’ সৈয়দ শামসুল হকের নাটক। ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। ‘কবর’ মুনির চৌধুরী রাচিত '৫২ - এর ভাষা আন্দোলন বিষয়ক নাটক এবং কিত্তনখোলা সেলিম - আল দীন রচিত নাটক।
Related Questions
ইউ কে চিং মারমা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র আধিবাসী মুক্তিযোদ্ধা । যিনি বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত। তিনি ইপিআর এর সদস্য হিসাবে ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে বান্দরবান মহকুমার উজানি পাড়ায় জন্মগ্রহন করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের মধ্যে ১০নং সেক্টরটি ছিল নৌ - সেক্টর। নৌবাহিনীর আটজন বাঙালি কর্মকর্তার সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠন করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালে ১০নং সেক্টরে ছিল নদী ও বঙ্গোপসাগর।
একে তিনটি সাব - সেক্টরে ভাগ করা হয়।
এ সেক্টরে কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না। এটি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল।
৪ এপ্রিল বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ বাহিনী গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল এ বাহিনীকে সম্প্রসারণ করে পুনর্গঠন করা হয়। এরপর ১২ এপ্রিল লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এম. এ. রবকে চিফ অব স্টাফ করে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করা হয় এবং একই সাথে কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদর দপ্তর স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল। (২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল - নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া - ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ)
নারী বীরপ্রতীক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
তার জন্ম স্থান হলো রাজীবপুর, কুড়িগ্রাম।
তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৭ সালে।
ডা. সেতারা বেগম যুদ্ধ করেন ২ নং সেক্টরে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
১০ নম্বর সেক্টর পরিচিত ছিল নৌ সেক্টর হিসেবে।
এ সেক্টরের নিদিষ্ট কোনো এলাকা ছিল না কোন সাব সেক্টর ও ছিল না।
জব সলুশন