নিত্য ব্যবহার্য বহু ‘অ্যারোসলের’ কৌটায় এখন লেখা থাকে সি.এফ.সি বিহীন।সি.এফ.সি গ্যাস কেন ক্ষতিকারক?
CFCs= Chlorofluorocarbons.
এই গ্যাস বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তরকে ধ্বংস করে দেয় যার ফলে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে সরাসরি প্রবেশ করে বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়।
সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন উপাদানগুলোর মধ্যে ক্লোরিন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
সিএফসি থাকে বিভিন্ন ধরনের স্প্রে ক্যানে, ফ্রিজ এবং এয়ার কন্ডিশনারে। ফলস্বরূপ, ১৯৮৫ সালে দেখা গেল যে দক্ষিণ গোলার্ধের ওজোন স্তরে বড়সড় একটি গর্ত তৈরি হয়েছে।
Related Questions
যখন গুণ টানা হয় তখন নৌকার উপর প্রযুক্ত বলে দুটি উপাংশে ক্রিয়া করে, যার এক অংশ নৌকাকে সামনের দিকে চালিত করে এবং অন্য অংশ নৌকাকে পাড়ের দিকে চালিত করে। তবে মাঝি যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে পাড়ের দিকে বলের উপাংশকে প্রশমিত করতে পারে। ফলে সামনের দিকের বলের ক্রিয়ায় নৌকা সামনের দিকে মাঝ নদী বরাবর চলে।
ক. ০.৩
খ.✓(০.৩) = ০.৫৪৭৭
গ. (২/৫) = ০.৪
ঘ. (১/৩) = ০.৩৩
সুতরাং বৃহত্তম সংখ্যাটি ✓(০.৩)
ধরি, সংখ্যাটি = x
শর্তমত,
x এর ২/৭=৬৪
= (৬৪x৭)/২
= ২২৪
সুতরাং x = ২২৪
মোট মিশ্রণ = ৬৪ কিলোগ্রাম।
বালির পরিমাণ = ৬৪ কিলোগ্রামের ২৫% = ৬৪ * (২৫/১০০) = ১৬ কিলোগ্রাম।
পাথর টুকরার পরিমাণ = ৬৪ - ১৬ = ৪৮ কিলোগ্রাম।
এখন, আমরা কিছু পরিমাণ বালি (ধরি 'ক' কিলোগ্রাম) মেশাতে চাই যাতে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ ৪০% হয়।
নতুন মিশ্রণে মোট পরিমাণ = (৬৪ + ক) কিলোগ্রাম।
নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ = ৪৮ কিলোগ্রাম।
শর্তানুসারে, নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ হবে মোট পরিমাণের ৪০%।
সুতরাং, ৪৮ = (৬৪ + ক) * (৪০/১০০)
৪৮ = (৬৪ + ক) * (২/৫)
৪৮ * (৫/২) = ৬৪ + ক
২৪ * ৫ = ৬৪ + ক
১২০ = ৬৪ + ক
ক = ১২০ - ৬৪
ক = ৫৬ কিলোগ্রাম।
অতএব, ৫৬ কিলোগ্রাম বালি মেশালে নতুন মিশ্রণে পাথর টুকরার পরিমাণ ৪০% হবে।
১ বর্গসেন্টিমিটার = ০.১৬ বর্গইঞ্চি (প্রায়)
১ বর্গমিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়)
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়)
১ বর্গইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গসেন্টিমিটার (প্রায়)
১ বর্গফুট = ৯২৯ বর্গসেন্টিমিটার (প্রায়)
১ বর্গগজ = ০.৮৪ বর্গমিটার (প্রায়)
১ বর্গমাইল = ৬৪০ একর
রক্তের কাজ :
১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে ।
২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে ।
৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে ।
৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় ।
৫। রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, ইউরিয়া, হজমকৃত খাদ্যবস্তু(যথা : গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।
জব সলুশন