কোনটি নিত্য সমাস ?
জলমাত্র হলো নিত্য সমাসের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। সংজ্ঞা ও নিয়ম: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। 'জলমাত্র'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'কেবল জল'।
Related Questions
পূর্বপদ প্রধান সমাস হলো অব্যয়ীভাব সমাস l যে সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদটি একটি অব্যয় (যেমন: আ, উপ, প্রতি, যথা, নির্, প্রতি ইত্যাদি) হিসেবে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে。
‘জিজ্ঞাসিব জনে জনে’— এখানে ‘জনে জনে’ হলো কর্মে সপ্তমী বিভক্তি। প্রশ্ন করার অর্থে ‘কাকে’ বা ‘কী’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক। যেহেতু এখানে ‘জন’-এর সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে (‘জনে জনে’), তাই এটি সপ্তমী বিভক্তি
'আকাশে চাঁদ উঠেছে'— এই বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি ঐকদেশিক অধিকরণ (বা ঐকদেশিক আধারাধিকরণ)। বিশাল স্থানের নির্দিষ্ট কোনো একটি অংশে বা একদেশে কোনো কিছু থাকলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে।
হিমালয় একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
সন্ধি বিচ্ছেদ: হিম + আলয় = হিমালয়
নিয়ম: প্রথম শব্দের শেষে 'অ' ধ্বনি আছে (হিম্ + অ)। দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে 'আ' ধ্বনি আছে (আলয়)। এই অ + আ মিলে 'আ' হয় (অ + আ = আ)।
যেহেতু স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন ঘটেছে, তাই এটি স্বরসন্ধি
ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারেই যখন কোনো কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রম বৈধতা দেয়ার নাম নিপাতনে সিদ্ধ। কতকগুলো সন্ধি নিপাতনে, সিদ্ধ হয়। যেমন: বন্ + পতি = বনস্পতি , পর + পর = পরস্পর , আ + চর্য = আশ্চর্য, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি ইত্যাদি।
"He is out of luck" শব্দগুচ্ছটির সহজ বাংলা অর্থ হলো— "সে ভাগ্যহারা", "তার পোড়া কপাল" বা "সে দুর্ভাগ্যপীড়িত"
জব সলুশন