কেন্দ্রমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

ক) হিত্তিক ও তুখারিক
খ) তামিল ও দ্রাবিড়
গ) আর্য ও অনার্য
ঘ) মাগধী ও গৌড়ী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

কেন্তুম ভাষা (Kentum languages) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের একটি শাখা।

- হিত্তিক (Hittite) ছিল একটি প্রাচীন আনাতোলিয়ান ভাষা, যা আনাতোলিয়ায় (আধুনিক তুরস্ক, যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত) ব্যবহৃত হত।
- তুখারিক (Tocharian) ছিল একটি ভাষা পরিবার যা তারিম বেসিনে (আধুনিক জিনজিয়াং, চীন, যা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত) প্রচলিত ছিল।

Related Questions

ক) একটা
খ) দুটো
গ) তিনটে
ঘ) চারটে
Note :

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার শাখা ২টি এগুলো হলো কেন্তম ও শতম।

ক) দ্রাবিড়
খ) ইন্দো-ইউরোপীয়
গ) ইউরালীয়
ঘ) সেমেটিক
Note :

বাংলা ভাষা ইন্দো - ইউরোপীয় মূল ভাষার অন্তর্গত।

ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষাসমূহ পৃথিবীর আদি ভাষা পরিবারের একটি। এই ভাষা পরিবারের অন্তর্গত ভাষা ও উপভাষাসমূহ বিশ্বের ৬টি মহাদেশে পাওয়া যায়। বেশির ভাগ ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষা ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ায় বিবর্তন হয়। হিন্দি, বাংলা, ইংরেজি, লাতিন, ফার্সি ও রুশ ছাড়াও বিশ্বের অনেক অনেক ভাষা এই পরিবারের অন্তর্গত। এথ্‌নোলগের মতে, বর্তমানে এই ভাষার ৪৪৫ টি জীবন্ত ভাষা সদস্য রয়েছে, যা একে বিশ্বের বৃহত্তম ভাষা পরিবারে পরিণত করেছে।

ক) আফ্রিকীয়
খ) দ্রাবিড়ীয়
গ) ইন্দো-ইউরোপীয়
ঘ) হিস্পানি
ক) ইঙ্গিতের সাহায্যে
খ) কন্ঠধ্বনির সাহায্যে
গ) চিত্রাঙ্কনের সাহায্যে
ঘ) ইশারার সাহায্যে
Note :

মানুষের মুখে উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনিকে ভাষা বলে। 

ক) অর্থদ্যোতকতা
খ) ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি
গ) মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত ধ্বনি
ঘ) জনসমাজে ব্যবহার যোগ্যতা
Note :

ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি। ধ্বনির সাহায্যে ভাষার সৃষ্টি হয়। আবার ধ্বনি সৃষ্টি হয় বাগযন্ত্রের দ্বারা। মানুষের কন্ঠ নিঃসৃত বাক সংকেতের সংগঠন কে ভাষা বলে। গলনালি, মুখবিবর, কন্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক ইত্যাদি বাক প্রত্যঙ্গকে বাকযন্ত্র বলে। ইশারা বা অঙ্গভঙ্গির সাহাযে মনের ভাব সম্পুর্ণ রূপে প্রকাশ পাই না। তাই এটি ভাষার অন্তর্ভুক্ত নয়।

ক) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
খ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
গ) মুহম্মদ এনামুল হক
ঘ) সুকুমার সেন
Note :

বাগযন্ত্র বা বাকপ্রত্যঙ্গ দ্বারা উচ্চারিত অর্থবোধক ধ্বনির সাহায্যে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকে ভাষা বলে।
-ভাষা ভাবের বাহন।
-ভাষা সম্পর্কে ভাষা-চিন্তক ড. সুকুমার সেন ‘ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থে বলেন, ‘ভাষার মধ্য দিয়া আদিম মানুষের সামাজিক প্রবৃত্তির প্রথম অঙ্কুর প্রকাশ পাইয়াছিল। ভাষার মধ্য দিয়াই সেই সামাজিক প্রবৃত্তি নানাদিকে নানাভাবে প্রসারিত হইয়া আদিম নরকে পশুত্বের অন্ধজড়তা হইতে উদ্ধার করিয়া তাহাকে মননশীল করিয়াছে। ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।
-তাঁর রচিত ‘ভাষার ইতিবৃত্ত’ বাংলা ভাষাতত্ত্বের একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা গ্রন্থ।
-সুকুমার সেন রচিত অন্যান্য গ্রন্থ: ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’, ‘বঙ্গভূমিকা’, ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা’, ‘বাঙ্গালা সাহিত্যে গদ্য', 'দিনের পর দিন যে গেল’ (আত্মজীবনী)।
-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত ভাষা বিষয়ক গ্রন্থ ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৬৫);
-সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ভাষা বিষয়ক গ্রন্থ The Origin and Development of the Bengali Language ( ODBL);
-মুহম্মদ এনামুল হক রচিত গ্রন্থ ‘ব্যাকরণ মঞ্জরী' (১৯৫২)।

জব সলুশন

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

দুর্নীতি দমন কমিশন - সহকারী পরিচালক (09-01-2026)

দুর্নীতি দমন কমিশন - উপসহকারী পরিচালক (03-01-2026)

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - সহকারী পরিচালক ( ২৬ - ১২- ২০২৫ )

সিভিল সার্জনের কার্যালয়, কক্সবাজার - পরিসংখ্যানবিদ (26-12-2025)

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় - গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ - ইমারত পরিদর্শক (26-12-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন