গ্রিক ভাষায় 'Grammar' শব্দের অর্থ কী?
গ্রিক 'Grammatike' শব্দটি 'Gramma' থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো 'অক্ষর' বা 'লিখন শিল্প' (Art of letters)। পরিভাষাগতভাবে একে 'ব্যাকরণ শাস্ত্র' বলা হয়
Related Questions
ড মুহম্মদ এনামুল হক রচিত আরও কয়েকটি গ্রন্থ -মনীষা মঞ্জষা, বঙ্গে সুফী প্রভাব ,বুলগেরিয়া ভ্রমন ,মুসলিম বাঙ্গামা সাহিত্য।
* সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' বইটির প্রকাশকাল (১৯২৬ খ্রি.) ।
* বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা' ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)।
* ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'বাংলা ব্যাকরণ'।
* শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ মঞ্জরী'।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ : প্রভাবতী সম্ভাষণ, বেতাল পঞ্চবিংশতি, ব্যাকরণ কৌমুদী, বোধোদয়, বর্ণপরিচয়, কথামালা, অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল। কলিকাতা কমলালয়, বত্রিশ সিংহাসন ও গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচয়িতা যথাক্রমে - ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ও রাজা রামমোহন রায়।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেছেন। তবে তিনি মূলত বাংলা ভাষায় ব্যাকরণের পাঠ সহজ করার জন্য এই গ্রন্থগুলো লিখেছিলেন।
১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ঐ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ ' যা প্রকাশ হয় ১৮৩৩ সালে। আর এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন।
- তার অন্যান্য রচনা হচ্ছে 'বেদান্তসার' (১৮১৫), 'ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭), 'সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) ইত্যাদি।
জব সলুশন