কে দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন?
দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণকে ব্যাকরণের একটি শ্রেণি বলে মনে করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
ভাষাচার্য ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ব্যাকরণকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন:
১. বর্ণনামূলক ব্যাকরণ (Descriptive Grammar)
২. ঐতিহাসিক ব্যাকরণ (Historical Grammar)
৩. তুলনামূলক ব্যাকরণ (Comparative Grammar)
৪. দার্শনিক-বিচারমূলক ব্যাকরণ (Philosophical-Critical Grammar)
তাঁর মতে, এই শ্রেণির ব্যাকরণে ভাষার অন্তর্নিহিত চিন্তাপ্রণালী আবিষ্কার এবং তার ওপর ভিত্তি করে ভাষার রূপের উৎপত্তি ও বিবর্তন কীভাবে ঘটে, তার বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়।
Related Questions
'Lexicography' শব্দের বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো অভিধানতত্ত্ব (বা অভিধান সংকলন বিদ্যা)। এটি ভাষাবিজ্ঞানের একটি শাখা, যা মূলত অভিধান প্রণয়ন, সম্পাদনা এবং এর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করে।
- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- তবে সাধু ও চলিত রীতিতে অব্যয় অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ বাক্যতত্ত্বের আলোচিত বিষয়। অপরদিকে, নতুন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুসারে, ‘বাগধারা’ অর্থতত্ত্বের আলোচিত বিষয়।
একাধিক শব্দ কী নিয়মে যুক্ত হয়ে বৃহত্তর এককসমূহ (যাদের মধ্যে বাক্য প্রধানতম একক) গঠন করে এবং এই বৃহত্তর এককগুলোর বৈশিষ্ট্য কী, সেটাই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। মূল কথা, ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই বাক্যতত্ত্ব।
- একাধিক শব্দ কী নিয়মে যুক্ত হয়ে বৃহত্তর এককসমূহ (যাদের মধ্যে বাক্য প্রধানতম একক) গঠন করে এবং এই বৃহত্তর এককগুলোর বৈশিষ্ট্য কী, সেটাই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- মূল কথা, ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই বাক্যতত্ত্ব।
ব্যাকরণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি ।যথা - ধ্বনিতত্ত্ব , শব্দতত্ত্ব , বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব । বাক্যতত্ত্বের অপর নাম পদক্রম ।
জব সলুশন