ব্যঞ্জন বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কি বলা হয়?

ক) ফল
খ) ফলা
গ) ফলাই
ঘ) অক্ষর
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'
আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।

উদাহরণ:
ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)

য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)

Related Questions

ক) কারবর্ণ
খ) অনুবর্ণ
গ) ফলা
ঘ) রেফ
Note :

ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের সর্বাধিক পরিচিত নাম হচ্ছে অনুবর্ণ। এটি ব্যঞ্জনবর্ণের শব্দের পরিবর্তে ব্যবহৃত একটি বিশেষ ধরনের বৈচিত্র্য, যা কণ্ঠবর্ণ বা স্বরবর্ণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হতে পারে। বিভিন্ন ভাষার ব্যাকরণে অনুবর্ণ সাধারণত শব্দের উচ্চারণে বিশেষ পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।

ক) ঈ
খ) অ
গ) উ
ঘ) ঐ
Note :

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় কার। যেমন: ‘ম’ এর সাথে ‘আ’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘া' যুক্ত হয়ে হয় ‘মা’।
স্বরবর্ণের মোট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলোর নাম কারবর্ণ। যথা: া, ি, ী, ু, ূ, ৃ,ে, ৈ, ো, ৌ, ।
কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।

কোনো ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হস্চি‌হ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি ‘অ’ আছে বলে ধরে নেয়া হয়। কিন্তু ‘অ’ এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।

ক) ৮টি
খ) ১০টি
গ) ২০টি
ঘ) ২৫টি
Note :

যেমন - আ - কার, ই - কার,ঈ - কার, উ - কার, ঊ - কার, ঋ - কার, এ - কার, ঐ - কার,ও - কার, ঔ - কার। স্বরবর্ণের কার চিহ্ন মোট ১০টি।

ক) স্বরধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ
খ) ব্যঞ্জনধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ
গ) স্বরধ্বনির ধ্বনিচিহ্ন
ঘ) ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিচিহ্ন
Note :

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'
আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।

উদাহরণ:
ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)

য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)

ক) ফলা
খ) কার
গ) ধ্বনি
ঘ) স্বর
ক) ৪৭টি
খ) ৪৯টি
গ) ৪৮টি
ঘ) ৫০টি
Note :

অসংযুক্ত বর্ণ বলতে কী বোঝায়?
"অসংযুক্ত বর্ণ" বলতে সেই বর্ণগুলোকে বোঝায় যেগুলো এককভাবে উচ্চারিত হতে পারে এবং যাদের সঙ্গে অন্য কোনো বর্ণের মিলন ঘটেনি। অর্থাৎ, এগুলি মৌলিক বর্ণ। বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ (যেমন: ক্ষ, জ্ঞ) রয়েছে, যেগুলো একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত; অসংযুক্ত বর্ণ বলতে সেই একক বা মৌলিক বর্ণগুলিকেই বোঝানো হয়।
বর্ণের বিভাজন:
১. স্বরবর্ণ (১১টি): স্বরবর্ণগুলো হলো সেই ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় মুখগহ্বরের কোথাও বাতাস বাধা পায় না এবং যা নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
২. ব্যঞ্জনবর্ণ (৩৯টি): ব্যঞ্জনবর্ণগুলো উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্যের প্রয়োজন হয় এবং উচ্চারণের সময় মুখগহ্বরের কোনো না কোনো স্থানে বাতাস বাধা পায়।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ রয়েছে: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ, ঁ।
সুতরাং, ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি অসংযুক্ত বর্ণ রয়েছে।

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন