'উষ্ণ' শব্দের 'ষ্ণ' যুক্তাক্ষরের বিশিষ্ট রূপ-?
- 'উষ্ণ' শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ- ষ + ণ ।
- এছাড়া আরও কয়েকটি যুক্তবর্ণ-
ক্ষ = ক্ + ষ,
হ্ম = হ্ + ম,
জ্ঞ = জ্ + ঞ,
হ্ন = হ্ + ন,
ঞ্চ = ঞ্ + চ,
হ্ণ = হ্ + ণ ।
Related Questions
ষ্ণ' একটি যুক্তাক্ষর বা যুক্তবর্ণ। এটি মূলত দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মেলনে তৈরি হয়েছে l ষ (মূর্ধন্য ষ) + ণ (মূর্ধন্য ণ)
কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:
ক্ক = ক + ক; যেমন - আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন - ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন - অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন - রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন - বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন - পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন - রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন - বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন - চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন - ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন - পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন - তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন - ইক্ষ্বাকু
'পল্লব' শব্দটি ল-ফলা যুক্ত শব্দ। এটি একটি যৌগিক বা সংযুক্ত বর্ণ, যা মূলত (ল) এবং (ল) এর সমন্বয়ে গঠিত। বাংলা ব্যাকরণে 'ফলা' বলতে ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বোঝায়। 'পল্লব' শব্দটিতে 'ল' বর্ণের সাথে 'ল' ফলা যুক্ত হয়ে একটি যুক্তাক্ষর তৈরি করেছে
• ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ফলা। ফলা যুক্ত হলে বর্ণের আকারের পরিবর্তন সাধিত হয়।
• বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ফলা ৬টি।
যথাঃ- ব, য, ম, র, ল ও ন-ফলা
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'।
আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'।
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।
• উদাহরণ:
ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)
য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)
ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের সর্বাধিক পরিচিত নাম হচ্ছে অনুবর্ণ। এটি ব্যঞ্জনবর্ণের শব্দের পরিবর্তে ব্যবহৃত একটি বিশেষ ধরনের বৈচিত্র্য, যা কণ্ঠবর্ণ বা স্বরবর্ণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হতে পারে। বিভিন্ন ভাষার ব্যাকরণে অনুবর্ণ সাধারণত শব্দের উচ্চারণে বিশেষ পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।
জব সলুশন