মহাপ্রাণ ঘোষধ্বনি কোনটি?
বাংলা বর্ণমালার বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি হলো অল্পপ্রাণ আর বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি হলো মহাপ্রাণ। অন্যদিকে, যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে বলা হয় ঘোষধ্বনি। সুতরাং মহাপ্রাণ ঘোষ ধ্বনিগুলো হলো - ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ ইত্যাদি। উল্লেখ্য যে,
বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম ধ্বনি ঘোষ ধ্বনি (যেমন: গ, ঘ, ঙ, জ, ঝ, ঞ, ড, ঢ, ণ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম)।
বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি মহাপ্রাণ ধ্বনি (যেমন: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ)।
Related Questions
চ' হলো একটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ধ্বনিগুলোকে এভাবে চেনা যায়: অঘোষ ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না (প্রতি বর্গের ১ম ও ২য় বর্ণ)। অল্পপ্রাণ ধ্বনি: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপ কম থাকে (প্রতি বর্গের ১ম ও ৩য় বর্ণ)। 'চ' বর্গীয় বর্ণগুলোর মধ্যে প্রথম বর্ণ, তাই এটি একই সাথে অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ।
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন হলো যেসব ব্যঞ্জন উচ্চারণে বেশি বায়ু (শ্বাস) নির্গত হয়।
বাংলা ভাষায় মোট ৩৩টি ব্যঞ্জনের মধ্যে ১৪টি মহাপ্রাণ।
মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনগুলো হলো:
খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ, শ, ষ, স, হ
এখন বিকল্পগুলো যাচাই করা যাকঃ
১. প, ব, ত, দ → এরা সব অমহাপ্রাণ। ❌
২. দ, ফ, ভ, খ → শুধু ফ, ভ, খ মহাপ্রাণ; দ নয়। ❌
৩. ফ, ভ, খ, ধ → এরা সবাই মহাপ্রাণ। ✅
৪. ট, ব, খ, গ → খ মহাপ্রাণ, বাকিগুলো অমহাপ্রাণ। ❌
👉 সঠিক উত্তর: ফ, ভ, খ, ধ ✅
মহাপ্রাণ ধ্বনি — খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ, ঢ়।
উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে অপেক্ষাকৃত বেশি বায়ু নির্গত হয় এবং শ্বাসঘাত বেশি থাকে, তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে l মহাপ্রাণ ধ্বনির মধ্যে রয়েছে: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ
যে ধ্বনি উচ্চারণে নিঃশ্বাস অল্প আকারে সংযােজিত হয় তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন - চ, ক, ট, ত, প, গ, জ, দ, ব।
'ঞ্জ' যুক্ত বর্ণের গঠিত হয় ঞ্ + জ। যেমন, গঞ্জ, রঞ্জ, কুন্ঞ্জ।
জব সলুশন