উচ্চারণ স্থানের নামানুসারে ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলো কত ভাগে বিভক্ত?
- বাংলায় ব্যঞ্জনধ্বনির বর্গীয় ধ্বনি ২৫টি ।
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শধ্বনিকে উচ্চারণের দিক থেকে পাঁচটি গুচ্ছে বা বর্গে ভাগ করা হয়েছে । যেমন - কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয়, তালব্য বা অগ্রতালুজাত, মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয়, দন্ত বা অগ্র দন্তমূলীয় ও ওষ্ঠ্য।
- প্রতি গুচ্ছের প্রথম ধ্বনিটির নামানুসারে সে গুচ্ছের সবগুলো ধ্বনিকে বলা হয় ঐ বর্গীয় ধ্বনি ।
Related Questions
স্পর্শধ্বনি: ক-ম (অর্থাৎ ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম)।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
এদের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ হলো ৩২ টি।
মাত্রাহীন বর্ণ হলো - ১০ টি।
অর্ধমাত্রার বর্ণ - ৮ টি।
বাংলা বর্ণমালার যথাযথ ক্রম হল:
স্বরবর্ণ: অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ
ব্যঞ্জনবর্ণ: ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ স হ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ
-অতএব, (ঘ) র ল ব ষ- এ, "ব" বর্ণটি "ষ" বর্ণটির আগে রয়েছে, যা যথাযথ নয়।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
এদের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ হলো ৩২ টি।
মাত্রাহীন বর্ণ হলো - ১০ টি।
অর্ধমাত্রার বর্ণ - ৮ টি।
বাংলা বর্ণমালা দুই প্রকার। যথা - স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ আছে ৫০টি। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। কিন্তু আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে কিছু ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে উচ্চারণে পার্থক্য নেই। যেমন: ন, ণ; ড়, ঢ়;শ, ষ, স;জ, য। তাই আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে পূর্ণরূপে ব্যবহৃত বর্ণ ৪৫ টি।
জব সলুশন