তালব্য ও নাসিক্য বর্ণ কোনটি?
• নিলীন বর্ণ - অ
• স্পর্শবর্ণ বা বর্গীয় বর্ণ - ২৫ টি
• কণ্ঠ্য বর্ণ - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
• তালব্য বর্ণ - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
• মূর্ধন্য বর্ণ - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
• দন্ত বর্ণ - ত, থ, দ, ধ, ন
• ওষ্ঠ্য বর্ণ - প, ফ, ব, ভ,ম
• নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাসিক বর্ণ - ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
• অন্তঃস্থ বর্ণ - য, র, ল
• শিশধ্বনি - শ, ষ, স
• কম্পনজাত ধ্বনি - র
• পার্শ্বিক বর্ণ - ল
• তাড়নজাত ধ্বনি - ড়, ঢ়
• খন্ডব্যঞ্জন - ৎ
Related Questions
ল'-এর উচ্চারণ স্থান হলো দন্তমূল。জিহ্বার ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়া বা দন্তমূলে স্পর্শ করে বলে এটি মূলত একটি দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি。বাংলা ব্যাকরণে 'ত', 'থ', 'দ', 'ধ' যেমন সরাসরি 'দন্ত্য' বা দাঁত থেকে উচ্চারিত হয়,'ল' ধ্বনিটি তার চেয়ে একটু উপরে দাঁতের গোড়ায় বা দন্তমূলে উচ্চারিত হওয়ার কারণে এটিকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়。
পার্শ্বিক ব্যঞ্জন (Lateral Consonant) হলো এমন একটি ব্যঞ্জনধ্বনি, যার উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু জিহ্বার এক বা দুই পাশ দিয়ে বের হয়।
- বাংলা ভাষায় "ল" ধ্বনি পার্শ্বিক ব্যঞ্জনের উদাহরণ।
উচ্চারণের সময়:
- জিহ্বার ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে।
- শ্বাসবায়ু জিহ্বার দুই পাশ দিয়ে মুখবিবর থেকে বের হয়।
ঠোট ও নাকের ছিদ্রের সাহায্যে উচ্চারিত হয় 'ম' ধ্বনিটি। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ বা মাঝের অংশ তালু স্পর্শ করে, সেগুলোকে তালব্য বর্ণ বলে। আপনার উল্লিখিত ই, জ, ঞ, য় বর্ণগুলো তালব্য বর্ণ l তালব্য বর্ণের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
স্বরবর্ণ: ই, ঈ
ব্যঞ্জনবর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, য়, শ
কণ্ঠ্যধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরযন্ত্র থেকে আসা বাতাস জিহ্বামূল এবং কোমল তালুর (নরম তালু) সংস্পর্শে বা স্পর্শে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়। বাংলা ব্যাকরণে এই ধ্বনিগুলোকে জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে, ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ হলো কণ্ঠ্য বা জিহ্ববামূলীয় ধ্বনি।
মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে যে ধ্বনি সৃষ্টি করে, তাকে কণ্ঠধ্বনি বা ভাষণধ্বনি বলে। এটিই আমাদের ব্যাকরণের আলোচ্য ধ্বনি। ব্যাকরণে আমরা 'ধ্বনি' বলতে এই কণ্ঠধ্বনি বা ভাষণধ্বনিকেই বুঝিয়ে থাকি।
কণ্ঠধ্বনি- ক, খ, গ
জব সলুশন