কোনটি নাসিক্য বর্ণ?
বাংলা বর্ণমালায় যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় বাতাস আংশিকভাবে নাক দিয়ে নির্গত হয়, সেগুলোকে নাসিক্য (বা অনুনাসিক) বর্ণ বলা হয়। প্রধান নাসিক্য বর্ণগুলো হলো: ঙ, ঞ, ণ, ন, এবং ম
Related Questions
বাংলায় নাসিক্য ধ্বনি পাঁচটি।
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণকালে শ্বাসের বায়ু মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়, সেগুলোকে নাসিক্য বা আনুনাসিক ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়। ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী 'ল' একটি দন্ত্য বর্ণ। তবে সুনির্দিষ্টভাবে এর উচ্চারণটি দন্তমূলীয় হিসেবেও পরিচিত। এর কারণ হলো, 'ল' উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়া বা মূল স্পর্শ করে।
স্পর্শ ব্যঞ্জনের ৫ নম্বর ধ্বনি গুলোকে নাসিক্য ধ্বনি বলে। যেমন: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
'ত', 'ন', এবং 'ল'—এই তিনটি ধ্বনির উচ্চারণ স্থান হলো দন্ত (দাঁত) এবং দন্তমূল
বাংলা বর্ণমালায় 'ঢ', 'ড়', এবং 'ঢ়' এই তিনটি বর্ণের উচ্চারণস্থান হলো পশ্চাৎদন্তমূল (বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয়)। উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ বা ডগা সামান্য উল্টে গিয়ে উপরের পাটির দাঁতের ঠিক ওপরের মূল বা মাড়িকে (দন্তমূল) স্পর্শ করে। ব্যাকরণে এদের তাড়নজাত ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে।
বাঙালি শিশুরা প বর্গীয় (প,ফ,ব,ভ,ম) ধ্বনিগুলো আগে শেখে ।
জব সলুশন