‘মনস্তাপ’ - এর সন্ধি-বিচ্ছেদ____
”মনস্তাপ” - এর সন্ধি বিচ্ছেদ মনোঃ + তাপ। বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিসধ্বনি হয়। অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিস ধ্বনি হয়, অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জন এর স্থলে দন্ত্য শিস ধ্বনি হয়।
Related Questions
শুদ্ধ বানান হলো শিরশ্ছেদ (শ-ই-র-শ্-ছ-এ-দ)। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত একটি শব্দ। সন্ধি বিচ্ছেদটি হলো: শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ l নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ এর পর যদি 'ছ' থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পেয়ে তার স্থলে একটি 'শ্ছেদ' যুক্ত হয়। তাই সঠিক শব্দ লিখতে সবসময় শ্ছেদ ব্যবহার করতে হবে। শিরোচ্ছেদ, শিরচ্ছেদ বা অন্য কোনো বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
'শ্রবণ' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: √শ্রু + অনট (বা অন)
এখানে: প্রকৃতি: √শ্রু (ধাতু - যার অর্থ শোনা)
প্রত্যয়: অনট বা অন (কৃত প্রত্যয়) .
‘হাত ধুয়ে বসা’ বাগধারার অর্থ হলো সাধু সাজা বা ভণ্ডামি করা, বিশেষ করে কোনো কাজ শুরু করার আগে বা কোনো বিষয়ে মন্তব্য করার আগে নিজেকে সাধু বা নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করা।
'গিন্নি' এবং 'কেষ্ট' শব্দ দুটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে লোকমুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে।
গিন্নি: এটি সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' থেকে এসেছে।
কেষ্ট: এটি সংস্কৃত শব্দ 'কৃষ্ণ' থেকে এসেছে l
'Blue print'-এর সবচেয়ে উপযুক্ত ও বহুল ব্যবহৃত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো ‘প্রতিচিত্র’।
দেশান্তর একটি নিত্য সমাস।
যে সমাসে সমাসমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ হয়ে থাকে এবং ব্যাসবাক্য হয় না (অথবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়), তাকে নিত্য সমাস বলে।
উদাহরণ ও ব্যাসবাক্য: দেশান্তর = অন্য দেশ ,গ্রামান্তর = অন্য গ্রাম ,কালান্তর = অন্য কাল
নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে ব্যাসবাক্যে সাধারণত 'অন্য' বা 'কেবল' শব্দগুলো ব্যবহৃত হয় l
জব সলুশন