বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ কোনোটিই যদি বিশেষণ না হয়, তাকে কী বলে?
ক) সমানাধিকরণ
খ) ব্যধিকরণ
গ) ব্যতিহার
ঘ) প্রত্যয়ান্ত
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ব্যাধিকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ এবং পরপদ সাধারণত বিশেষ্য হয়, অর্থাৎ কোনোটিই বিশেষণ নয়।
Related Questions
ক) অলুক বহুব্রীহি
খ) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
গ) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
ঘ) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
Note : ব্যাধিকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য হয় এবং পদ দুটি ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত থাকে। যেমন: 'বীণাপাণি' (বীণা পানিতে যার)।
ক) সমানাধিকরণ
খ) প্রত্যয়ান্ত
গ) ব্যধিকরণ
ঘ) ব্যতিহার
Note : সমানাধিকরণ বহুব্রীহিতে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়। যেমন: 'নীলকণ্ঠ' (নীল কণ্ঠ যার)।
ক) দশ প্রকার
খ) তিন প্রকার
গ) ছয় প্রকার
ঘ) আট প্রকার
Note : নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুযায়ী বহুব্রীহি সমাস প্রধানত ছয় প্রকার। তবে উচ্চতর ব্যাকরণে আট বা দশ প্রকারও দেখানো হয়।
ক) রক্ত দ্বারা রঞ্জিত
খ) বহুলোকের রক্তপাত
গ) পরস্পরের রক্তপাত
ঘ) রক্তের প্রবাহ
Note : 'রক্তারক্তি' (রক্তে রক্তে যে যুদ্ধ) একটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস। এখানে পরস্পর একই রকম ক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি বোঝানো হচ্ছে।
ক) দশ আননের সমাহার
খ) দশ আনন আছে যার
গ) দশাগ্রস্ত যিনি নন
ঘ) দশ যে আনন
Note : 'দশানন' একটি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস, যার ব্যাসবাক্য 'দশ আনন আছে যার'। এটি রাবণকে বোঝায়।
ক) পণ্ডিত ও মূর্খ
খ) পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ
গ) যিনি পণ্ডিত তিনিই মূর্খ
ঘ) মূর্খের ন্যায় যে পণ্ডিত
Note : 'পণ্ডিতমূর্খ' (পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ) একটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস।
জব সলুশন