চের কোন শব্; ণ-ত্ব বিধান অনুসারে ‘ন’ এ ব্যবহার হয়েছে
নিক্কণ, কল্যাণ এবং লবণ এই শব্দগুলো স্বভাবতই মূর্ধাণ্য হয়। কিন্তু ব্যাকরণ শব্দটিতে ণ(মূর্ধাণ্য) হয়েছে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুসারে।
Related Questions
তৎসম শব্দের বানানে ণ এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান। ণত্ব বিধান অনুযারি ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সবসময় 'ণ' যুক্ত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধান অনুসারে, তৎসম শব্দে ঋ, র, এবং ষ-এর পর মূর্ধন্য 'ণ' বসে।
- এর ফলে, এই বর্ণগুলোর পরে ব্যবহৃত দন্ত্য 'ন' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ঋণ (ঋ-এর পর), কারণ (র-এর পর), ভূষণ (ষ-এর পর) ইত্যাদি শব্দে 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে।
- মনে রাখতে হবে, এই নিয়মটি শুধুমাত্র তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে নয়।
বাংলা ভাষায় বিদেশী (অর্থাৎ অ-দেশীয় বা বিদেশ থেকে আগত) শব্দের সঙ্গে সর্বদাই “ন” যুক্ত হয়, “ণ” নয়।
👉 উদাহরণ:
ইংরেজি → ইংরেজ + ন → ইংরেজন (না হয়ে শুধু ইংরেজ থাকে)
স্টেশন + এ → স্টেশনে
অফিস + এর → অফিসের
তাই নিয়ম হলো —
বিদেশী শব্দের সঙ্গে সর্বদা "ন" হয়, "ণ" হয় না। ✅
জব সলুশন