কোন বাক্যটি শুদ্ধ ?
দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।" বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ l বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দরিদ্র বা অভাবগ্রস্ত অবস্থাকে 'দারিদ্র্য' বলা হয়। ‘দারিদ্র্যতা’ বা ‘দারিদ্রতা’ শব্দগুলো ব্যাকরণগত দিক থেকে অশুদ্ধ।
Related Questions
পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ - বসুধা ,ধরা, ভুবন , বসুন্ধরা ,ভু , অবনী , মহী , জগত , দুনিয়া ,বিশ্ব । পর্বতের সমার্থক শব্দ - মহীধর , পাহাড় , গিরি, অচল , শৈল , অদ্রি ,নগ । সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ - সবিতা , দিনমণি , মিহির ,দিবাকর,আফতাব , ভানু , দীনেশ , ভাস্কর , দিবাবাসু ।
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির (বা চলিত ভাষার) সার্থক প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে তাঁর সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির ব্যাপক প্রসার ও প্রতিষ্ঠা ঘটে। সাহিত্যাঙ্গনে তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। [1, 2, 3]
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- সামীপ্য (নৈকট্য), বিস্সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা (যথা), সাদৃশ্য (উপ), যোগ্যতা, পশ্চাৎ (অনু), ঈষৎ (আ) প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন: ভাষার সদৃশ = উপভাষা।
বক্তব্য' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: √বচ্ + তব্য।
এখানে 'বচ্' হলো ধাতু (প্রকৃতি) এবং 'তব্য' হলো কৃৎ প্রত্যয়। এটি একটি কৃদান্ত শব্দ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়।
বাংলা ব্যাকরণে হাইফেন (-) এবং ইলেক বা লোপ চিহ্ন ( ’ ) প্রয়োগের ক্ষেত্রে থামার কোনো প্রয়োজন নেই。 [1, 2]
হাইফেন (-): সমাসবদ্ধ বা পাশাপাশি বসে এমন পদগুলোকে যুক্ত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন (’): কোনো বর্ণ বা স্বরধ্বনি বাদ পড়েছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (যেমন— বল’ব)। [1, 2]
এদের কাজ শুধু শব্দের গঠন বা রূপ স্পষ্ট করা, বাক্যের মধ্যকার বিরতি নির্দেশ করা নয়
জব সলুশন