জল পড়ে , পাতা নড়ে___ ‘জল’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
"জল পড়ে পাতা নড়ে" বাক্যে সাধারণত 'জল' এবং 'পাতা' শব্দ দুটিকে চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করতে বলা হয়।
ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ:
কারক: কর্তৃকারক
বিভক্তি: প্রথমা বা শূন্য (০) বিভক্তি
কারণ:
বাক্যটিতে "কে বা কারা" দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে সরাসরি কর্তা পাওয়া যায় (যেমন: কী/কে পড়ে? উত্তর: জল; কী নড়ে? উত্তর: পাতা)। যেহেতু জল ও পাতা নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই এরা হলো কর্তৃকারক। শব্দগুলোর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি (যেমন- এ, য়, তে) যুক্ত না থাকায় এগুলো শূন্য বিভক্তি।
Related Questions
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুটি সরল বাক্য যখন কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে ‘তার বয়স বেড়েছে’ এবং ‘বুদ্ধি বাড়েনি’ দুটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বাক্য।
- এই দুটি বাক্য ‘কিন্তু’ নামক সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড বাক্য গঠন করেছে, তাই এটি যৌগিক বাক্য।
- যৌগিক বাক্যে সাধারণত ও, এবং, কিন্তু, অথবা, বা, অথচ, কিংবা, বরং ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ‘সে দরিদ্র কিন্তু সৎ’ বা ‘সে পাস করেছে অথচ খুশি নয়’—এগুলোও যৌগিক বাক্যের নিদর্শন।
মানুষের স্বভাবই হলো ভুল করা।
ইংরেজি প্রবাদ: এর ইংরেজি প্রবাদ হলো "To err is human"।
শব্দের অর্থঃ
শকুনি মামা- কুচক্রী লোক
নীর- বারি
হেম- স্বর্ণ
তাত- পিতা
দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।" বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ l বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দরিদ্র বা অভাবগ্রস্ত অবস্থাকে 'দারিদ্র্য' বলা হয়। ‘দারিদ্র্যতা’ বা ‘দারিদ্রতা’ শব্দগুলো ব্যাকরণগত দিক থেকে অশুদ্ধ।
পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ - বসুধা ,ধরা, ভুবন , বসুন্ধরা ,ভু , অবনী , মহী , জগত , দুনিয়া ,বিশ্ব । পর্বতের সমার্থক শব্দ - মহীধর , পাহাড় , গিরি, অচল , শৈল , অদ্রি ,নগ । সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ - সবিতা , দিনমণি , মিহির ,দিবাকর,আফতাব , ভানু , দীনেশ , ভাস্কর , দিবাবাসু ।
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির (বা চলিত ভাষার) সার্থক প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। ১৯১৪ সালে তাঁর সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির ব্যাপক প্রসার ও প্রতিষ্ঠা ঘটে। সাহিত্যাঙ্গনে তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। [1, 2, 3]
জব সলুশন