অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা কীসের ওপর নির্ভর করে ?
অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা নির্ভর করে অনুবাদের ভাবের উপর। অনুবাদ শব্দের অর্থ - ভাষান্তর। এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় রুপান্তর, ভাব বদল, চিন্তাবদল ইত্যাদি কে অনুবাদ বলে।
অনুবাদ ২ প্রকার। যথা:
১/ আক্ষরিক অনুবাদ
২/ভাবগত অনুবাদ
তাই, আক্ষরিক অনুবাদ না ভাবানুবাদ তা নির্ভর করে ভাবের উপর।
Related Questions
'A to Z' কথাটি সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
কোনো বিষয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আদ্যোপান্ত বা বিস্তারিত সবকিছু বোঝাতে সাধারণত এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
‘অন্ধজনে দেহ আলো’ বাক্যে ‘অন্ধজনে’ হলো সম্প্রদান কারক এবং এতে সপ্তমী ('এ') বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
যেহেতু কোনো স্বার্থ বা প্রতিদান আশা না করে নিঃশর্তভাবে কাউকে কিছু দান করা বা সাহায্য করা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়, তাই এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো (চক্ষুদান বা জ্ঞানের আলো) দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘অন্ধজনে’ সম্প্রদান কারক।
যা বলা হয়নি' এর এক কথায় প্রকাশ হলো অনুক্ত
"জল পড়ে পাতা নড়ে" বাক্যে সাধারণত 'জল' এবং 'পাতা' শব্দ দুটিকে চিহ্নিত করে কারক নির্ণয় করতে বলা হয়।
ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ:
কারক: কর্তৃকারক
বিভক্তি: প্রথমা বা শূন্য (০) বিভক্তি
কারণ:
বাক্যটিতে "কে বা কারা" দিয়ে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করলে সরাসরি কর্তা পাওয়া যায় (যেমন: কী/কে পড়ে? উত্তর: জল; কী নড়ে? উত্তর: পাতা)। যেহেতু জল ও পাতা নিজে নিজেই কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই এরা হলো কর্তৃকারক। শব্দগুলোর সাথে আলাদা কোনো বিভক্তি (যেমন- এ, য়, তে) যুক্ত না থাকায় এগুলো শূন্য বিভক্তি।
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুটি সরল বাক্য যখন কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে ‘তার বয়স বেড়েছে’ এবং ‘বুদ্ধি বাড়েনি’ দুটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বাক্য।
- এই দুটি বাক্য ‘কিন্তু’ নামক সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড বাক্য গঠন করেছে, তাই এটি যৌগিক বাক্য।
- যৌগিক বাক্যে সাধারণত ও, এবং, কিন্তু, অথবা, বা, অথচ, কিংবা, বরং ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: ‘সে দরিদ্র কিন্তু সৎ’ বা ‘সে পাস করেছে অথচ খুশি নয়’—এগুলোও যৌগিক বাক্যের নিদর্শন।
মানুষের স্বভাবই হলো ভুল করা।
ইংরেজি প্রবাদ: এর ইংরেজি প্রবাদ হলো "To err is human"।
জব সলুশন