'কবিতা' শব্দের বহুবচন কোনটি?

ক) কবিতাগুচ্ছ
খ) কবিতামালা
গ) কবিতারাজি
ঘ) কবিতাসমূহ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

একের বেশি সংখ্যাক বোঝাতে যেসব লগ্নক ( রা, এরা, গুলো, গুলি, দের, রাজি, মালা, সমূহ, গুচ্ছ) বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে বচন বলে। অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচন ব্যাবহিত লগ্নক/শব্ধঃ গুচ্ছ -> কবিতাগুচ্ছ, কেশগুচ্ছ। 

Related Questions

ক) সংখ্যার ধারণা
খ) গণনার ধারণা
গ) ক্রমের ধারণা
ঘ) পরিমাপের ধারণা
Note : বচন' শব্দের আক্ষরিক ও প্রায়োগিক অর্থ হলো 'সংখ্যার ধারণা'। এটি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা এক না একাধিক, তা নির্দিষ্ট করে। 'গণনা' বা 'পরিমাপ' এর ধারণার চেয়ে 'সংখ্যার ধারণা, সুনির্দিষ্ট।
ক) দুই প্রকার
খ) তিন প্রকার
গ) চার প্রকার
ঘ) পাঁচ প্রকার
Note :

ধ্বনির পরিবর্তন তিন প্রকার। যথাঃ ধ্বন্যাগম, ধ্বনিলোপ ও ধ্বনির রূপান্তর।

ক) সম্প্রকর্ষ
খ) স্বরসঙ্গতি
গ) পরাগত
ঘ) অসমীকরণ
Note : দুটি সমজাতীয় স্বরের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য মাঝখানে অন্য একটি স্বরধ্বনি যুক্ত করার প্রক্রিয়াকে 'অসমীকরণ' বা Dissimilation বলা হয়। যেমন: টপ + টপ = টপাটপ। এখানে পুনরাবৃত্তি এড়াতে একটি 'আ' স্বরধ্বনি আনা হয়েছে।
ক) ব্যঞ্জন বিকৃতি
খ) স্বরাগম
গ) পরাগম
ঘ) অসমীকরণ
Note :

স্বরাগম ক) আদি স্বরাগম / Prothesis : উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে বলে আদি স্বরাগম। যেমন : স্কুল>ইস্কুল, স্টেশন>ইস্টিশন। এরূপ : আস্তাবল, আস্পর্ধা। খ) মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি / Anaptyxis : সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি। যেমন : অ : রত্ন>রতন, ধর্ম>ধরম, স্বপ্ন>স্বপন, হর্ষ>হরষ ইত্যাদি। ই : প্রীতি>পিরীতি, ক্লিপ>কিলিপ, ফিল্ম>ফিলিম ইত্যাদি। উ : মুক্তা>মুকুতা, তুর্ক>তুরুক, ভ্রু>ভুরু ইত্যাদি। এ : গ্রাম>গেরাম, প্রেক>পেরেক, স্রেফ>সেরেফ ইত্যাদি। ও : শ্লোক>শোলোক, মুরগ>মুরোগ>মোরগ ইত্যাদি। গ) অন্ত্যস্বরাগম / Apothesis : কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম। যেমন : দিশ >দিশা, পোখত্ >পোক্ত, বেঞ্চ >বেঞ্চি, সত্য>সত্যি ইত্যাদি।

ক) ধ্বনিসংযুক্তি
খ) স্বরভক্তি
গ) আদি স্বরাগম
ঘ) বিপ্রকর্ষ
Note : 'Prothesis' একটি ভাষাতাত্ত্বিক পরিভাষা, যার অর্থ শব্দের শুরুতে কোনো ধ্বনি (সাধারণত স্বরধ্বনি) যুক্ত হওয়া। বাংলা ব্যাকরণে এই প্রক্রিয়াকে 'আদি স্বরাগম' বলা হয়। যেমন: স্কুল > ইস্কুল, স্টেশন > ই স্টেশন।
ক) স্বরসঙ্গতি
খ) স্বরভক্তি
গ) ধ্বনি বিপর্যয়
ঘ) স্বরলোপ
Note : এখানে আগের স্বর 'ই'-এর প্রভাবে পরের স্বর 'আ' পরিবর্তিত হয়ে 'এ'-তে পরিণত হয়েছে (মিঠা > মিঠে)। যেহেতু আগের স্বরের প্রভাবে পরিবর্তন হয়েছে, তাই এটি স্বরসঙ্গতির উদাহরণ।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন