কোন মুসলিম সেনাপতি সর্বপ্রথম দাক্ষিণাত্য জয় করেন?
ক) মালিক কাফুর
খ) বৈরাম খাঁন
গ) শায়েস্তা খাঁন
ঘ) মীর জুমলা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
আলাউদ্দিন খলজির বিশ্বস্ত সেনাপতি মালিক কাফুর দাক্ষিণাত্য (দক্ষিণ ভারত) জয়ের অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনিই প্রথম মুসলিম সেনাপতি যিনি সফলভাবে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলো জয় করে দিল্লির সুলতানেরা স্বীকার করতে বাধ্য করেন।
Related Questions
ক) আলাউদ্দিন খলজি
খ) শের শাহ
গ) আকবর
ঘ) আওরঙ্গজেব
Note : আলাউদ্দিন খলজিই প্রথম দিল্লির সুলতান যিনি বিন্ধ্য পর্বত অতিক্রম করে দক্ষিণ ভারতে সফল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। তার সেনাপতি মালিক কাফুর দেবগিরি, ওয়ারাঙ্গল, দ্বারসমুদ্র এবং মাদুরাইয়ের মতো রাজ্যগুলো জয় করে সালতানাতের अधीन করেন।
ক) সুলতানা রাজিয়া
খ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ
গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন
ঘ) আলাউদ্দিন খলজি
Note : গিয়াসউদ্দিন বলবন সুলতানের মর্যাদা ও ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য 'রক্তপাত ও কঠোর নীতি' (Blood and Iron Policy) গ্রহণ করেন। তিনি অভিজাতদের বিদ্রোহ দমন, দস্যুদের নির্মূল এবং সুলতানের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
ক) ১২৬৬-৮৭ খ্রি
খ) ১২৬০-৮০ খ্রি
গ) ১২৬০-৮৮ খ্রি
ঘ) ১২৬৮-৮৮ খ্রি
Note : গিয়াসউদ্দিন বলবন ছিলেন মামলুক বংশের অন্যতম শক্তিশালী সুলতান। তিনি নাসিরউদ্দিন মাহমুদের মৃত্যুর পর ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে বসেন এবং ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার মৃত্যু পর্যন্ত শাসন করেন। তার শাসনকাল ছিল ১২৬৬ থেকে ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দ।
ক) মুহাম্মদ ঘুরী
খ) সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
গ) বলবন
ঘ) সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক
Note : কুতুবউদ্দিন আইবেক সুফি সাধক খাজা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকীর স্মরণে কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং প্রথম তলা নির্মাণ করেন। তার মৃত্যুর পর জামাতা ও সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।
ক) ইলতুৎমিশ
খ) কুতুব উদ্দিন আইবেক
গ) সুলতান মাহমুদ
ঘ) আরাম শাহ
Note : বন্দেগান-ই-চেহেলগান' বা 'চল্লিশ চক্র' ছিল চল্লিশজন তুর্কি ক্রীতদাসীর বা অভিজাতদের একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী। সুলতান ইলতুৎমিশ তার শাসনকে সুদৃঢ় করতে এবং বিশ্বস্ত অনুসারী তৈরি করতে এই চক্রটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।
ক) কুতুবউদ্দিন আইবেক
খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ
গ) ফিরোজ শাহ তুগলক
ঘ) আলাউদ্দিন খলজি
Note : ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা আল-মুনতাসির বিল্লাহ ইলতুৎমিশকে 'সুলতান-ই-আজম' বা 'মহান সুলতান' উপাধি দিয়ে তার শাসনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেন। এই স্বীকৃতি দিল্লি সালতানাতের সার্বভৌমত্বকে ইসলামি বিশ্বে বৈধতা দিয়েছিল।
জব সলুশন