বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে?
ক) নবাব আলিবর্দী খাঁ
খ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
গ) নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ঘ) ফকির মজনু শাহ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন ঘটে এবং বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রভাব শুরু হয়। একারণে তাঁকেই বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
Related Questions
ক) মির্জা মোহম্মাদ
খ) মির্জা আলম
গ) মির্জা খলিল
ঘ) মির্জ আজম
Note : 'সিরাজ-উ-দ্দৌলা' ছিল তাঁর সিংহাসনে আরোহণের পর নেওয়া উপাধি, যার অর্থ 'প্রদীপের আলো'। তাঁর আসল নাম ছিল মির্জা মুহম্মদ।
ক) জয়েন উদ্দিন
খ) আলীবর্দী খাঁ
গ) শওকত জং
ঘ) হায়দার আলী
Note : সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের নাতি (কন্যার পুত্র)। তাঁর পিতার নাম ছিল জয়ন উদ্দিন আহমেদ খান, যিনি বিহারের শাসনকর্তা ছিলেন।
ক) উদয়নালা
খ) গিরিয়া
গ) কাটোয়া
ঘ) পলাশী
Note : বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন, যা তাঁর শাসনের অবসান ঘটায়।
ক) ফরাসী বিপ্লব
খ) সিপাহি বিদ্রোহ
গ) পলাশীর যুদ্ধ
ঘ) পানিপথের যুদ্ধ
Note : ১৭৫৭ সালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল পলাশীর যুদ্ধ, যা ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ফরাসী বিপ্লব (১৭৮৯) এবং সিপাহি বিদ্রোহ (১৮৫৭) ভিন্ন সময়ের ঘটনা।
ক) মারাঠি সৈন্যদলকে
খ) মুগল সৈন্যদলকে
গ) বার্মার সৈন্যদলকে
ঘ) ইংরেজ সৈন্যদলকে
Note : 'বর্গী' ছিল মারাঠা সাম্রাজ্যের হালকা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অশ্বারোহী সৈন্যদল। তারা দ্রুতগতিতে আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে পালিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচিত ছিল। বাংলায় তাদের আক্রমণ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।
ক) জলদস্যুরা
খ) পর্তুগিজরা
গ) বর্গীরা
ঘ) ইংরেজরা
Note : 'বর্গী' নামে পরিচিত মারাঠা অশ্বারোহী বাহিনী আলীবর্দী খানের শাসনামলে (১৭৪১-১৭৫১) বারবার বাংলা আক্রমণ করে ব্যাপক লুটতরাজ ও অত্যাচার চালায়, যা বাংলার ইতিহাসে 'বর্গীর হাঙ্গামা' নামে কুখ্যাত।
জব সলুশন