‘মতৈক্য’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি ?
'মতৈক্য' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ মত + ঐক্য। অ/আ এরপরে এ/ঐ থাকলে উভয়ে মিলে ঐ হয় এবং তা ‘অ/আ’ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
Related Questions
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'কবিরাজ' শব্দটির কোনো নিজস্ব বা সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক শব্দ নেই।
যখন কোনো নারী এই পেশায় যুক্ত থাকেন, তখন তাদের বোঝাতে পুরুষবাচক শব্দটির আগেই কেবল 'মহিলা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে (যেমন: মহিলা কবিরাজ)। বাংলা ভাষায় 'কবিরাজ' মূলত এমন একটি শব্দ, যা পুরুষ ও নারী—উভয় চিকিৎসকের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রযোজ্য হয়।
যতি/ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
যতি চিহ্ন মোট ১২ টি। ব্যাকরণিক চিহ্ন (৪টি)
পূর্ণ বাক্যের শেষে বসে এমন বিরাম চিহ্নের সংখ্যা ৪ টি।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর 'বোতল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭) গ্রন্থ প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার দেখান।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য বা কবিতায় শুধু পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িজ্ঞাপক চিহ্নটি (এক দাঁড়ি বা দুই দাঁড়ি) ছিলো।
বিরাম বা যতি চিহ্ন 'বাক্যতত্ত্বে' আলোচিত হয়।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(২য় খণ্ড, পৃঃ২২৭, ২য় সংস্করণ,২০১২) অনুযায়ী যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৬ টি।
দাঁড়ির অপর নাম- পূর্ণচ্ছেদ
কমার অপর নাম- পাদচ্ছেদ
সেমিকোলনের অপর নাম- অর্ধচ্ছেদ
ইলেকের অপর নাম - লোপচিহ্ন
ড্যাশের অপর নাম- কষি চিহ্ন
হাইফেনের অপর নাম- শব্দ সংযোগ চিহ্ন
বিরতি কালঃ
এক বলতে সময় লাগে - ২ টি ( উদ্ধরণ, কমা)
এক বলার দ্বিগুণ সময় লাগে- ১টি (সেমিকোলন)
থামার প্রয়োজন নেই- ৩টি (হাইফেন, ইলেক, বন্ধনি)
এক সেকেন্ড থামতে হয়- ৬টি (দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক, বিস্ময়, কোলন, ড্যাশ, কোলনড্যাশ)
কিংবদন্তি (ক-এ হ্রস্ব ই-কার, ঙ-এ গ, ব, দ, ন-এ হ্রস্ব ই-কার, ত-এ হ্রস্ব ই-কার) বানানটি সঠিক।
শুদ্ধ বানান: কিংবদন্তি
অশুদ্ধ বানান: কিংবদন্তী
সন্ধি-বিচ্ছেদ: কিম্ + বদন্তি (ব্যঞ্জন সন্ধি)
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান-অভিধান অনুযায়ী শেষের 'ত'-তে দীর্ঘ ঈ-কার নয়, বরং হ্রস্ব ই-কার হবে।
ভূপতি শব্দটি সাগর শব্দের সমার্থক নয়। 'ভূপতি' শব্দটির অর্থ রাজা বা ভূমি (পৃথিবী) পতি। উইকিঅভিধান-এর মতে, সাগর শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো: সমুদ্র,অর্ণব,বারিধি,জলধি,সিন্ধু,পারাবার।
'উৎকর্ষ' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো অপকর্ষ। উৎকর্ষ শব্দের মূল অর্থ হলো শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকৃষ্টতা। এটি দিয়ে কোনো কিছুর উন্নতি, উৎকর্ষ সাধন বা খুব ভালো গুণকে বোঝানো হয়ে থাকে
সাধারণ অর্থের বাইরে যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ বিশিষ্ট বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে, তাকে বাগ্বিধি (বা বাগধারা) বলে l বাংলা ব্যাকরণে এদের ব্যবহার ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের গভীরতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় l যেমন—'আকাশ কুসুম' শব্দের সাধারণ অর্থ আকাশের ফুল হলেও, বিশিষ্ট অর্থে এর অর্থ দাঁড়ায় 'অসম্ভব কল্পনা' l
জব সলুশন