বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কি?
ক) পুণ্ড্র
খ) তাম্রলিপ্ত
গ) গৌড়
ঘ) হরিকেল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাচীন সাহিত্য (যেমন: ঐতরেয় আরণ্যক) অনুযায়ী, পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ। এর কেন্দ্র ছিল বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়।
Related Questions
ক) হিন্দু ধর্মগ্রন্থ
খ) কালিদাসের কাব্যগ্রন্থ
গ) বৌদ্ধ পুঁথি
ঘ) জৈন ধর্মগ্রন্থ
Note : এটি মহাযান বৌদ্ধধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ বা পুঁথি। পাল যুগে এর বহু সচিত্র কপি তৈরি হয়েছিল, যা তৎকালীন শিল্পরীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
ক) হর্ষবর্ধন
খ) কলহন
গ) বানভট্ট
ঘ) কৌটিল্য
Note : এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রচনা করেন রাজা হর্ষবর্ধনের সভাকবি বানভট্ট। এটি হর্ষবর্ধনের জীবন ও রাজত্বকালের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উৎস।
ক) প্রাচীন জনপদ
খ) তামার পাতে শাসনাদেশ
গ) প্রাচীন গ্রন্থ
ঘ) প্রাচীন ভাষা
Note : তাম্রলিপ্ত ছিল প্রাচীন বাংলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং একটি জনপদ। এটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত ছিল।
ক) মৌর্য বংশ
খ) গুপ্ত বংশ
গ) পাল বংশ
ঘ) সেন বংশ
Note : পাল রাজবংশ আনুমানিক ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ৪০০ বছর ধরে বাংলা শাসন করেছিল, যা একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।
ক) মাছবাজার
খ) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
গ) মাছ ধরার নৌকা
ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
Note : মাৎস্যন্যায়' একটি সংস্কৃত শব্দ, যা দিয়ে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝানো হয় যেখানে বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, তেমনি শক্তিশালী লোক দুর্বলদের উপর অত্যাচার করে। এটি আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
ক) ব্রাহ্ম
খ) বৌদ্ধ
গ) জৈন
ঘ) হিন্দু
Note : পাল রাজারা বৌদ্ধ হলেও সেন রাজারা ছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু ধর্মের কঠোর অনুসারী ও পৃষ্ঠপোষক। তাঁদের আমলে বাংলায় சைவ ও বৈষ্ণব ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটে।
জব সলুশন