মহাস্থবীর শীলভদ্র কোন মহাবিহারের আচার্য ছিলেন?
ক) আনন্দ বিহার
খ) নালন্দা বিহার
গ) গোসিপো বিহার
ঘ) সোমপুর বিহার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বাঙালি পণ্ডিত শীলভদ্র ছিলেন প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারের (বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত) প্রধান আচার্য বা অধ্যক্ষ। তার খ্যাতি এতটাই ছিল যে হিউয়েন সাং-এর মতো পরিব্রাজকরা তার কাছে জ্ঞানার্জনের জন্য আসতেন।
Related Questions
ক) রামচরিত
খ) চণ্ডীমঙ্গল
গ) ঐতরেয় আরণ্যক
ঘ) করতোয়া মাহাত্যম
Note : খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৮০০ অব্দে রচিত বৈদিক সাহিত্য 'ঐতরেয় আরণ্যক'-এ সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' নামক একটি জনগোষ্ঠীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এটিই 'বঙ্গ' নামের সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত নিদর্শন।
ক) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
খ) অশোক
গ) ধর্মপাল
ঘ) সমুদ্রগুপ্ত
Note : মেগাস্থিনিস গ্রিক সেনাপতি সেলুকাস কর্তৃক প্রেরিত হয়ে পাটলিপুত্রে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় দূত হিসেবে আগমন করেন।
ক) টোডা
খ) দ্রাবিড়
গ) সুর
ঘ) আফ্রিদি
Note : দক্ষিণ ভারতের আদি অধবাসীদের 'দ্রাবিড়' নামে অভিহিত করা হয়। সিন্ধু সভ্যতা দ্রাবিড়দের দ্বারা নির্মিত বলে মনে করা হয়। টোডা একটি নির্দিষ্ট উপজাতি, সুর ও আফ্রিদি এই অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ক) কলম্বাস
খ) ইবনে বতুতা
গ) কালিদাস
ঘ) বখতিয়ার খলজি
Note : তিনি তার ভ্রমণকাহিনীতে 'বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহার করেছেন। যদিও এর আগে শামস-ই-সিরাজ আফিফ-এর 'তারিখ-ই-ফিরুজশাহী' গ্রন্থে 'বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পর্যটক হিসেবে ইবনে বতুতার নাম উল্লেখযোগ্য।
ক) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
খ) আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
গ) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ঘ) হর্ষবর্ধন
Note : ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনামলে (আনুমানিক ৩৭৫-৪১৫ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতবর্ষে এসেছিলেন এবং তার ভ্রমণকাহিনীতে তৎকালীন সামাজিক ও ধর্মীয় অবস্থার বিবরণ দিয়েছেন।
ক) আলমগীর নামা
খ) আইন-ই-আকবরী
গ) আকবর নামা
ঘ) তুজুক-ই-আকবরী
Note : সম্রাট আকবরের সভাসদ আবুল ফজল তার 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে 'বাংলা' নামের উৎপত্তি সম্পর্কে একটি জনপ্রিয় তত্ত্ব দেন। তার মতে, 'বঙ্গ' নামের সাথে জমির বাঁধ বা 'আল' যুক্ত হয়ে 'বঙ্গাল' বা 'বাংলা' নামের উৎপত্তি হয়েছে।
জব সলুশন