কোন ব্যক্তি বাংলাদেশকে 'ধনসম্পদপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন?
ক) ফা হিয়েন
খ) ইবনে বতুতা
গ) হিউয়েন সাং
ঘ) ইবনে খলদুন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই উক্তিটি ইবনে বতুতার। তিনি বাংলার প্রতিকূল আবহাওয়া ও জীবনযাত্রার কষ্টের কারণে একে 'নরক' এবং অন্যদিকে প্রাকৃতিক প্রাচুর্য ও ধনসম্পদের জন্য 'ধনসম্পদপূর্ণ' বলেছিলেন। এর ফারসি রূপ 'দোযখ-পুর-আজ-নেয়ামত'।
Related Questions
ক) Italy
খ) Tibet
গ) Morocco
ঘ) Greece
Note : আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে বতুতা ছিলেন চতুর্দশ শতকের একজন মুসলিম পর্যটক, যিনি উত্তর আফ্রিকার মরক্কো (Morocco) রাজ্যের তানজিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
ক) শীলভদ্র
খ) অতীশ দীপঙ্কর
গ) কাহ্নপা
ঘ) জীমূতবাহন
Note : শীলভদ্র ছিলেন তৎকালীন সমতট (বর্তমান কুমিল্লা অঞ্চল) অঞ্চলের এক রাজপরিবারের সন্তান। তিনি ৭ম শতকে নালন্দা মহাবিহারের সর্বাধ্যক্ষ বা আচার্যের পদে আসীন হয়ে বাঙালির গৌরব বৃদ্ধি করেন।
ক) মালিক কাফুর
খ) খসরু খান
গ) ইবনে বতুতা
ঘ) সাদি খান
Note : সফরনামা' বা ভ্রমণকাহিনী ইবনে বতুতার বিখ্যাত গ্রন্থ 'রেহেলা'-এর অপর নাম। ফারসি ভাষায় 'সফরনামা' শব্দের অর্থ ভ্রমণ বৃত্তান্ত, তাই তার গ্রন্থটিকে এই নামেও অভিহিত করা হয়।
ক) ইন্ডিকা
খ) অর্থশাস্ত্র
গ) রেহেলা
ঘ) তারিখ-ই-মুবারক শাহী
Note : ইবনে বতুতার বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীটির পুরো নাম 'তুহফাতুন নুজ্জার ফি গারাইবিল আমসার ওয়া আজাইবিল আসফার', যা সংক্ষেপে 'আল-রিহলা' বা 'রেহেলা' নামে পরিচিত। এর অর্থ হলো 'সফর' বা 'ভ্রমণ'।
ক) অতীশ দীপঙ্কর
খ) শীলভদ্র
গ) মাহুয়ান
ঘ) মেগাস্থিনিস
Note : সপ্তম শতাব্দীতে বিশ্ববিখ্যাত নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ বা আচার্য ছিলেন বাঙালি মনীষী শীলভদ্র। হিউয়েন সাং তার কাছেই বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন। শীলভদ্র ছিলেন হিউয়েন সাং-এর দীক্ষাগুরু।
ক) কামরূপ
খ) সমতট
গ) তাম্রলিপ্তি
ঘ) উপরের সবগুলো
Note : হিউয়েন সাং তার ভ্রমণকাহিনী 'সি-ইউ-কি'-তে বাংলার একাধিক জনপদের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি তৎকালীন পুণ্ড্রবর্ধন (উত্তরবঙ্গ), কর্ণসুবর্ণ (পশ্চিমবঙ্গ), সমতট (পূর্ববঙ্গ), তাম্রলিপ্তি (দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গ) এবং কামরূপ (আসাম সংলগ্ন) ভ্রমণ করেন।
জব সলুশন