ইতিহাসের উৎস নয় কোনটি?
ক) পাঠ্যবই
খ) মুদ্রা
গ) শিলালিপি
ঘ) দলিল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মুদ্রা, শিলালিপি, এবং প্রাচীন দলিলপত্র হলো ইতিহাসের প্রত্যক্ষ বা প্রাথমিক উৎস (Primary Source)। অন্যদিকে, পাঠ্যবই এসব প্রাথমিক উৎস বিশ্লেষণ করে লেখা হয়, তাই এটি একটি মাধ্যমিক উৎস (Secondary Source), সরাসরি উৎস নয়।
Related Questions
ক) তামার পাত্রে শাসনাদেশ
খ) প্রাচীন জনগণ
গ) প্রাচীন গ্রন্থ
ঘ) প্রাচীন ভাষা
Note : প্রাচীনকালে রাজারা তাদের বিভিন্ন আদেশ, ভূমিদানপত্র বা ঘোষণা তামার পাতে খোদাই করে স্থায়ী দলিল হিসেবে প্রদান করতেন। এই তামার পাতে খোদাই করা লিপি বা শাসনকেই 'তাম্রলিপি' বা 'তাম্রশাসন' বলা হয়।
ক) মিনহাজ-ই-সিরাজ
খ) আবুল ফজল
গ) শাহ-মুহাম্মদ সগীর
ঘ) মির্জা নাথান
Note : তবকাত-ই-নাসিরী' গ্রন্থটি পারসিক ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ কর্তৃক রচিত। এই গ্রন্থেই বখতিয়ার খলজির বাংলা জয়ের সর্বপ্রথম বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
ক) খ্রি. পূর্ব ৩য় শতকে
খ) খ্রি. পূর্ব ৪র্থ শতকে
গ) খ্রি. পূর্ব ৫ম শতকে
ঘ) খ্রি. পূর্ব ১ম শতকে
Note : সুমা-কিয়েনকে (Sima Qian) চীনের হেরোডোটাস বা ইতিহাসের জনক বলা হয়। তিনি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে (১৪৫-৮৬ খ্রি.পূ.) তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'শিজি' (Shiji) রচনা করেন, যেখানে ভারতেরও উল্লেখ ছিল।
ক) তারিখ-ই-হামিদিয়া
খ) অর্থশাস্ত্র
গ) আইন-ই-আকবরী
ঘ) রামায়ণ
Note : আবুল ফজল তার 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' এবং 'বঙ্গাল' থেকে 'বাংলা' শব্দটির দেশবাচক বা প্রশাসনিক ব্যবহার করেন। তিনি 'সুবাহ-ই-বাঙ্গালা' শব্দটি ব্যবহার করেন, যা সমগ্র অঞ্চলকে বোঝাত।
ক) টোডরমল
খ) বীরবল
গ) আবুল ফজল
ঘ) তানসেন
Note : আইন-ই-আকবরী' হলো আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের তৃতীয় খণ্ড। এতে সম্রাট আকবরের সাম্রাজ্যের প্রশাসন, রাজস্ব ব্যবস্থা, ভূগোল এবং সংস্কৃতির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
ক) উপন্যাস
খ) মহাকাব্য
গ) ঐতিহাসিক
ঘ) প্রবন্ধ
Note : গোলাম হোসেন সলিম জইদপুরি রচিত 'রিয়াজ-আস-সালাতিন' (Riyaz-us-Salatin) হলো বাংলার মুসলিম শাসনকালের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ। এটি একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
জব সলুশন