আয়নার পিছনে কোন ধাতুটি ব্যবহৃত হয়?
ক) অ্যালুমিনিয়াম
খ) জিঙ্ক
গ) মার্কারি
ঘ) কপার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ঐতিহ্যগতভাবে আয়নার পিছনে পারদ (Mercury/মার্কারি) এবং টিনের একটি মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো। যদিও আধুনিক আয়নায় রুপা বা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহৃত হয়, পুরনো পদ্ধতির কারণে পারদ একটি প্রচলিত উত্তর।
Related Questions
ক) তামা
খ) রৌপ্য
গ) পারদ
ঘ) জিংক
Note : আয়না তৈরির জন্য কাচের এক পৃষ্ঠে ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়, যাকে পারা লাগানো বা সিলভারিং বলে। সাধারণত রুপা (Silver/রৌপ্য) বা অ্যালুমিনিয়ামের পাতলা স্তর ব্যবহার করা হয় কারণ এগুলো উত্তম প্রতিফলক।
ক) দর্পণ
খ) লেন্স
গ) প্রিজম
ঘ) বিম্ব
Note : দর্পণ বা আয়না হলো একটি মসৃণ তল যেখানে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে এবং বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। লেন্স আলোর প্রতিসরণ ঘটায় এবং প্রিজম আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।
ক) বেগুনি
খ) সবুজ
গ) লাল
ঘ) কমলা
Note : প্রিজমের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার প্রতিসরাঙ্ক তত বেশি এবং বিচ্যুতিও তত বেশি হয়। বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি হয়।
ক) লাল
খ) বেগুনি
গ) নীল
ঘ) হলুদ
Note : প্রিজমের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরাঙ্ক তত কম এবং বিচ্যুতিও তত কম হয়। লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম হয়।
ক) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বাধিক
খ) লাল আলোর গতি কম
গ) লাল আলোর উৎপাদন খরচ কম
ঘ) লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
Note : লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর মধ্যে সর্বাধিক। এর ফলে বায়ুকণা বা কুয়াশার মধ্যে এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম হয়। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়, যা বিপদ সংকেতের জন্য জরুরি।
ক) তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
খ) প্রতিসরণ বেশি
গ) কম্পাঙ্ক বেশি
ঘ) তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম
Note : সূর্যাস্তের সময় সূর্যরশ্মিকে বায়ুমণ্ডলের পুরু স্তর ভেদ করে আসতে হয়। এসময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (নীল, বেগুনি) আলো বেশি বিক্ষেপিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো কম বিক্ষেপিত হয়ে সরাসরি আমাদের চোখে এসে পৌঁছায়। তাই সূর্যকে লাল দেখায়।
জব সলুশন