সাবমেরিনের নাবিকেরা পানির নিচ থেকে উপরের দৃশ্য দেখে-
ক) টেলিস্কোপের সাহায্যে
খ) মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে
গ) পেরিস্কোপের সাহায্যে
ঘ) স্যাটেলাইটের সাহায্যে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
পেরিস্কোপ এমন একটি যন্ত্র যা পর্যবেক্ষককে কোনো বাধা বা আড়ালের অপর পাশের বস্তু দেখতে সাহায্য করে। সাবমেরিনে পানির নিচে থেকে পানির উপরের জাহাজ বা অন্যান্য বস্তু দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়।
Related Questions
ক) শুধুমাত্র প্রতিসরণ
খ) প্রতিফলন ও ব্যতিচার
গ) প্রতিসরণ ও প্রতিফলন
ঘ) অপবর্তন
Note : পেরিস্কোপে দুটি সমতল দর্পণ বা প্রিজমকে পরস্পরের সমান্তরালে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। আলোকরশ্মি দর্পণ দুটিতে প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়। তাই এটি মূলত আলোর প্রতিফলনের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। (অপশন B-তে প্রতিফলন ও ব্যতিচার থাকলেও মূলনীতি প্রতিফলন)।
ক) ২ ফুট
খ) ৩ ফুট
গ) ৪ ফুট
ঘ) ৬ ফুট
Note : কোনো বস্তুর পূর্ণ প্রতিবিম্ব দেখতে হলে সমতল দর্পণের দৈর্ঘ্য কমপক্ষে বস্তুটির দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হতে হয়। সুতরাং, ৬ ফুট লম্বা লোকের পূর্ণ প্রতিবিম্ব দেখতে কমপক্ষে ৬/২ = ৩ ফুট লম্বা আয়নার প্রয়োজন হবে।
ক) OAT
খ) NOON
গ) SOS
ঘ) OTTO
Note : আয়নায় দেখলে বস্তুর পার্শ্বীয় পরিবর্তন ঘটে (ডান দিক বামে এবং বাম দিক ডানে দেখায়)। OTTO শব্দটির উলম্ব প্রতিসাম্য (vertical symmetry) থাকায় আয়নায় এর কোনো পরিবর্তন হবে না। একইভাবে NOON শব্দটিরও পরিবর্তন হয় না। তবে OTTO বেশি প্রতিসম।
ক) অ্যালুমিনিয়াম
খ) জিঙ্ক
গ) মার্কারি
ঘ) কপার
Note : ঐতিহ্যগতভাবে আয়নার পিছনে পারদ (Mercury/মার্কারি) এবং টিনের একটি মিশ্রণ ব্যবহার করা হতো। যদিও আধুনিক আয়নায় রুপা বা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহৃত হয়, পুরনো পদ্ধতির কারণে পারদ একটি প্রচলিত উত্তর।
ক) তামা
খ) রৌপ্য
গ) পারদ
ঘ) জিংক
Note : আয়না তৈরির জন্য কাচের এক পৃষ্ঠে ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়, যাকে পারা লাগানো বা সিলভারিং বলে। সাধারণত রুপা (Silver/রৌপ্য) বা অ্যালুমিনিয়ামের পাতলা স্তর ব্যবহার করা হয় কারণ এগুলো উত্তম প্রতিফলক।
ক) দর্পণ
খ) লেন্স
গ) প্রিজম
ঘ) বিম্ব
Note : দর্পণ বা আয়না হলো একটি মসৃণ তল যেখানে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে এবং বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। লেন্স আলোর প্রতিসরণ ঘটায় এবং প্রিজম আলোর বিচ্ছুরণ ঘটায়।
জব সলুশন