পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায় না কোন সময়?
ক) সকাল বেলায়
খ) বিকাল বেলায়
গ) শরৎকাল
ঘ) শীতকালে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
রংধনু সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে সৃষ্টি হয়। বিকেলে সূর্য পশ্চিম আকাশে থাকে, তাই রংধনু দেখা গেলে তা পূর্ব আকাশে দেখা যায়।
Related Questions
ক) কালো দেখায়
খ) নীল দেখায়
গ) লাল দেখায়
ঘ) সাদা দেখায়
Note : কোনো বস্তু যদি তার ওপর আপতিত সাদা আলোর প্রায় সকল বর্ণকে শোষণ করে নেয় এবং কোনো বর্ণকেই প্রতিফলিত না করে, তবে আলোর অনুপস্থিতির কারণে বস্তুটিকে কালো দেখায়।
ক) কালো
খ) সাদা
গ) লাল
ঘ) বেগুনি
Note : কোনো বস্তুর উপর সাদা আলো পড়লে যদি বস্তুটি আলোর সকল বর্ণকে সমানভাবে প্রতিফলিত করে, তবে বস্তুটিকে সাদা দেখায়। যেমন, সাদা কাগজ বা সাদা দেয়াল।
ক) লাল ও হলুদ রঙ শোষণ করে
খ) বরফ এমনিতেই সাদা
গ) বেগুনি রশ্মি শোষণ করে
ঘ) সবগুলো রঙ (reflect) প্রতিফলন করে
Note : বরফ আসলে স্বচ্ছ, কিন্তু বরফ খণ্ড অসংখ্য ক্ষুদ্র বরফ ক্রিস্টালের সমষ্টি। আলো যখন এর উপর পড়ে, তখন এই ক্রিস্টালগুলোর বিভিন্ন তলে আলো বিক্ষিপ্তভাবে প্রতিফলিত হয়। প্রায় সব বর্ণের আলোই সমানভাবে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসায় বরফকে সাদা দেখায়।
ক) ধূলিকণা
খ) বায়ুস্তর
গ) বৃষ্টির কণা
ঘ) অতিবেগুনি রশ্মি
Note : রংধনু সৃষ্টির জন্য দুটি প্রধান উপাদান প্রয়োজন: সূর্যের আলো এবং বাতাসে ভাসমান পানির কণা (যেমন বৃষ্টির কণা বা কুয়াশা)। এই পানির কণাগুলোই সূর্যরলোকে বিচ্ছুরিত করে রংধনু তৈরি করে।
ক) দর্পণের কাজ করে
খ) আতসী কাচের কাজ করে
গ) লেন্সের কাজ করে
ঘ) প্রিজমের কাজ করে
Note : বৃষ্টির পর বাতাসে ভেসে থাকা পানির কণাগুলো ছোট ছোট প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যরশ্মি এই পানির কণার মধ্যে প্রবেশ করার সময় প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফলে বিচ্ছুরিত হয়ে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায় এবং রংধনু সৃষ্টি করে।
ক) Violate
খ) Magenta
গ) Indigo
ঘ) Orange
Note : রংধনুর সাতটি রঙ হলো Violet (বেগুনি), Indigo (নীল), Blue (আসমানি), Green (সবুজ), Yellow (হলুদ), Orange (কমলা) এবং Red (লাল)। ম্যাজেন্টা (Magenta) এই সাতটি মূল রঙের মধ্যে পড়ে না। এটি একটি যৌগিক রঙ।
জব সলুশন