আমাদের দর্শনানুভূতি কোন আলোতে সবচেয়ে বেশি?
ক) লাল-কমলা
খ) বেগুনি-আকাশী
গ) হলুদ-সবুজ
ঘ) নীল-আসমানী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
মানুষের চোখ হলুদ-সবুজ বর্ণের আলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল। অর্থাৎ, দিনের বেলায় প্রায় ৫৫৫ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (হলুদ-সবুজ) আলোতে আমরা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখতে পাই।
Related Questions
ক) Retina
খ) Cornea
গ) Iris
ঘ) Radius
Note : রেটিনা (Retina), কর্নিয়া (Cornea) এবং আইরিশ (Iris) সবই মানুষের চোখের অংশ। কিন্তু রেডিয়াস (Radius) হলো হাতের একটি হাড়ের নাম, এটি চোখের কোনো অংশ নয়।
ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
খ) পিউপিল
গ) কর্নিয়া
ঘ) রেটিনা
Note : রেটিনায় অবস্থিত রড (Rod) এবং কোণ (Cone) নামক আলোকসংবেদী কোষগুলো আপতিত আলোক শক্তিকে রাসায়নিক ও পরে তড়িৎ সংকেতে (nerve impulse) রূপান্তরিত করে। এই সংকেত মস্তিষ্ক গ্রহণ করে এবং দর্শনের অনুভূতি তৈরি হয়।
ক) পিউপিল
খ) আইরিশ
গ) রেটিনা
ঘ) অন্ধবিন্দু
Note : রেটিনা হলো চোখের পেছনের একটি আলোক-সংবেদী স্তর যেখানে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। এতে থাকা রড ও কোন কোষ আলোক শক্তিকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়।
ক) উভ উত্তল / দ্বি উত্তল
খ) অবতল
গ) উভ অবতল
ঘ) উত্তল
Note : মানুষের চোখের লেন্সটি একটি উভোত্তল বা দ্বি-উত্তল (Biconvex) লেন্সের মতো কাজ করে। এটি নমনীয় এবং সিলিয়ারি পেশীর সাহায্যে এর ফোকাস দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করে কাছের ও দূরের বস্তু দেখতে সাহায্য করে।
ক) প্রতিফলন
খ) প্রতিসরণ
গ) বিক্ষেপণ
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note : সূর্যাস্তের পরেও কিছুক্ষণের জন্য আকাশে যে ক্ষীণ আলো থাকে, তাকে গোধূলি বলে। এটি ঘটে কারণ সূর্য দিগন্তের নিচে চলে গেলেও এর আলোকরশ্মি বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরের কণা দ্বারা বিক্ষেপিত হয়ে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
ক) নীল
খ) সবুজ
গ) হলুদ
ঘ) কালো
Note : মহাকাশে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। বায়ুমণ্ডল না থাকায় সেখানে সূর্যরশ্মির বিক্ষেপণ ঘটে না। আলোর বিক্ষেপণ না হওয়ার কারণে মহাকাশ এবং সেখান থেকে দেখা আকাশকে সম্পূর্ণ কালো দেখায়।
জব সলুশন