কঁচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কঁচুতে আছে-
ক) ক্যালসিয়াম অক্সালেট
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
গ) ক্যালসিয়াম ফসফেট
ঘ) ক্যালসিয়াম সালফেট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কচু, বিশেষ করে কচুর মুখী ও ডাটাতে, ক্যালসিয়াম অক্সালেটের (CaC₂O₄) সূঁচালো ক্রিস্টাল বা র্যাফাইড থাকে। খাবার সময় এই ক্রিস্টালগুলো গলার শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে বিঁধে যায়, যা চুলকানি ও অস্বস্তির সৃষ্টি করে।
Related Questions
ক) লবণাক্ত পানিতে গোছল করা
খ) স্যাভলনযুক্ত পানিতে গোছল করা
গ) সিরকাযুক্ত পানিতে গোছল করা
ঘ) বেকিং সোডাযুক্ত গরম পানিতে সমস্ত শরীর ভেজানো
Note : পোকামাকড়ের কামড়ে ফরমিক এসিড থাকে, যা একটি অম্ল। সিরকা বা ভিনেগার (যা নিজেও অম্লীয়) এক্ষেত্রে প্রদাহ কমাতে পারে এবং এর অ্যান্টিসেপটিক গুণও রয়েছে। তবে বেকিং সোডা (ক্ষার) ব্যবহার করাও একটি প্রচলিত প্রতিকার।
ক) ভিনেগার
খ) চিনি
গ) লবণ
ঘ) উপরের সবগুলো
Note : ভিনেগার (অম্লত্বের মাধ্যমে), চিনি (অসমোসিস বা অভিস্রবণের মাধ্যমে) এবং লবণ (অভিস্রবণের মাধ্যমে) প্রত্যেকেই অণুজীবের বৃদ্ধিকে বাধা দিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করে। তাই উত্তর 'উপরের সবগুলো'।
ক) ৬-১০% এসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণ
খ) ১০-১৫% এসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণ
গ) ৫-১০% সাইট্রিক এসিডের জলীয় দ্রবণ
ঘ) ১০-১৫% সাইট্রিক এসিডের জলীয় দ্রবণ
Note : প্রমিত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ভিনেগার হলো অ্যাসিটিক এসিডের ৪% থেকে ১০% জলীয় দ্রবণ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে '৬-১০% এসিটিক এসিডের জলীয় দ্রবণ' সবচেয়ে উপযুক্ত।
ক) টারটারিক এসিড
খ) ফরমিক এসিড
গ) ইরোসিক এসিড
ঘ) লিনোলিক এসিড
Note : মৌমাছির হুলে যে প্রধান এসিডটি থাকে তার নাম ফরমিক এসিড (বা মিথানোয়িক এসিড), যা ত্বকে প্রদাহ ও যন্ত্রণার কারণ।
ক) ফরমিক এসিড
খ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
গ) টার্টারিক এসিড
ঘ) ফরমালডিহাইড
Note : পিঁপড়া, মৌমাছি এবং বিছুটি পাতার হুলে ফরমিক এসিড (রাসায়নিক নাম মিথানোয়িক এসিড, HCOOH) থাকে। এই এসিড চামড়ায় প্রবেশ করলে তীব্র জ্বালা ও ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে।
ক) ফর্মালিন
খ) সাবান
গ) গ্লিসারিন
ঘ) ভিনেগার
Note : ফরমালিন অত্যন্ত কার্যকরী জীবাণুনাশক এবং প্রোটিনকে জমাট বাঁধিয়ে দেয়, ফলে অণুজীবের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এই ধর্মের কারণেই এটি জীবদেহের নমুনা, গবেষণাগারের স্পেসিমেন এবং মৃতদেহকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন