ইউরেনিয়ামের বহুল ব্যবহৃত আইসোটোপটির নাম কি?
ক) U²³³
খ) U²³⁵
গ) U²³⁸
ঘ) কোনোটিই নয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
যদিও U-২৩৮ প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পারমাণবিক অস্ত্রের জন্য U-২৩৫ আইসোটোপটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল ব্যবহৃত, কারণ এটি নিউট্রন দ্বারা বিভাজিত (fissile) হতে পারে এবং চেইন রিঅ্যাকশন ঘটায়।
Related Questions
ক) U²³⁴
খ) U²³⁵
গ) U²³⁸
ঘ) সবগুলোই
Note : প্রকৃতিতে ইউরেনিয়ামের তিনটি প্রধান আইসোটোপ পাওয়া যায়: ইউরেনিয়াম-২৩৮ (সবচেয়ে বেশি), ইউরেনিয়াম-২৩৫ এবং ইউরেনিয়াম-২৩৪। প্রদত্ত অপশনগুলোর সবগুলোই ইউরেনিয়ামের স্থিতিশীল আইসোটোপ। তাই উত্তর 'সবগুলোই'।
ক) ভর সংখ্যা সমান থাকে
খ) নিউট্রন সংখ্যা একই থাকে
গ) প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
ঘ) প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
Note : আইসোটোপের সংজ্ঞানুযায়ী, এরা একই মৌলের পরমাণু, যার অর্থ এদের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা অবশ্যই সমান থাকবে। এদের নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।
ক) ইলেকট্রন
খ) প্রোটন
গ) নিউট্রন
ঘ) কারণ অনাবিষ্কৃত
Note : আইসোটোপ হলো একই মৌলের পরমাণু, তাই তাদের প্রোটন সংখ্যা সর্বদা স্থির থাকে। আইসোটোপগুলোর মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয় শুধুমাত্র নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যার তারতম্যের কারণে। নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ায় তাদের ভরসংখ্যাও ভিন্ন হয়।
ক) আইসোটোপ
খ) আইসোমার
গ) আইসোটোন
ঘ) আইসোবার
Note : যখন একই মৌলের (অর্থাৎ এটমিক বা পারমাণবিক সংখ্যা একই) পরমাণুগুলোর নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়, তখন তাদের ভরসংখ্যা (প্রোটন+নিউট্রন) বেড়ে যায়। এই ধরনের পরমাণুগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
ক) লিথিয়াম
খ) অক্সিজেন
গ) হাইড্রোজেন
ঘ) হিলিয়াম
Note : পর্যায় সারণীর একমাত্র মৌল হলো হাইড্রোজেন, যার সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপ প্রোটিয়ামে (¹H) কোনো নিউট্রন নেই। অন্য সকল মৌলের স্থিতিশীল আইসোটোপে নিউট্রন থাকে।
ক) ইলেকট্রন
খ) প্রোটন
গ) নিউট্রন
ঘ) কোনটিই নয়
Note : হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপের মধ্যে সাধারণ হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম (¹H)-এর নিউক্লিয়াসে কেবল একটি প্রোটন থাকে, কোনো নিউট্রন থাকে না। এর বাইরে একটি ইলেকট্রন থাকে। তাই সাধারণ হাইড্রোজেনে নিউট্রন নেই।
জব সলুশন