বাংলা ভাষায় প্রথম কাব্য সংকলন ‘চর্যাপদ’ এর আবিষ্কারক-
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ – ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১) ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত রামচরিতম্ বা রামচরিতমানস পুঁথির সংগ্রাহক।
Related Questions
ওয়াকিল আহমেদ প্রাপ্ত সম্মাননা
আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৮০)
ইতিহাস পরিষদ পদক, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, ঢাকা - (১৯৮৬)
মনিরুদ্দীন পদক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় - (১৯৬০)
বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার - (১৯৯৪)
মুহম্মদ ইব্রাহিম স্মারক স্বর্ণপদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা - (১৯৯৪)
আচার্য দীনেশচন্দ্র সেন স্বর্ণপদক, কলকাতা (২০০২)
একুশে পদক - (২০০৪)
"মধুরচেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি" – কবিতার এই অংশবিশেষের রচয়িতা হলেন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত (Satyendranath Dutta)। এই অংশটি তাঁর "দেশের মাটি" (Desher Mati) নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
লালন (জন্ম: ১৭৭২ খ্রি. - মৃত্যু: ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০ খ্রি.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালি; যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক এবং দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন।
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত আন্নদামঙ্গল কাব্যের অমর এই উক্তি তথা প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী। যখন দেবী অন্নদা তার খেয়া নৌকায় নদী পার হয়ে বর চাইতে বলে ঈশ্বরী পাটনীকে, তখন ঈশ্বরী পাটনি এই প্রার্থনাটি করে।
সিরাজাম মুনিরা - কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমদ। ইসলামী রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের সিরাজাম মুনিরা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে ঢাকায়। তার পরপ্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ " সাত সাগরের মাঝি" প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে কলকাতা থেকে। এ কাব্যটি প্রকাশের মধ্য দিয়েই তিনি কবি খ্যাতির শীর্ষে আরোহণ করেন।
স্বরবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। স্বরবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চার মাত্রার চালে চলতে পছন্দ করে। প্রধানত ছড়া এবং গান লিখতেই এই ছন্দ সচরাচর ব্যবহৃত হয়। এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য-
-স্বরবৃত্তের মূল বিষয়টিই আবর্তিত হয় দুটি সিলেবল বা দলকে (মুক্ত ও বদ্ধ দল) ঘিরে।
-স্বরবৃত্ত দ্রুত লয়ের ছন্দ।
-এই ছন্দের মূলপর্ব বা পূর্ণপর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
-মুক্তদল বা মুক্তাক্ষর এবং রুদ্ধদল বা বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্রাবিশিষ্ট।
-পর্বগুলো ছোট এবং দ্রুতলয়বিশিষ্ট। -এই ছন্দে যতি এবং দল ঘন ঘন পড়ে বলে বাগযন্ত্র দ্রুততা লাভ করে।
-প্রতি পর্বের প্রথম অক্ষর শ্বাসাঘাতযুক্ত।
-এই ছন্দের প্রয়োজনে ৫ মাত্রাকে সংবৃত উচ্চারণে ৪ মাত্রার মত আবৃত্তি করা যায়, আবার কোথাও এক মাত্রা কম থাকলে বিবৃত উচ্চারণ করে এক মাত্রাকে দুই মাত্রায় টেনে নেয়া যায়।
জব সলুশন