কোনটি জারক পদার্থ নয়?
ক) হাইড্রোজেন
খ) অক্সিজেন
গ) ক্লোরিন
ঘ) ব্রোমিন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জারক পদার্থ হলো যা ইলেকট্রন গ্রহণ করে। অক্সিজেন, ক্লোরিন এবং ব্রোমিন প্রত্যেকেই শক্তিশালী অধাতু এবং তীব্র জারক পদার্থ, কারণ এদের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা খুব বেশি। অন্যদিকে, হাইড্রোজেন (H₂) সাধারণত বিজারক হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন দান করে H⁺ আয়নে পরিণত হয়।
Related Questions
ক) জারক
খ) জারিত
গ) বিজারক
ঘ) বিজারিত
Note : যে পদার্থ বিক্রিয়াকালে ইলেকট্রন দান করে, তাকে বিজারক পদার্থ (Reducing Agent) বলা হয়। বিজারক পদার্থ নিজে জারিত হয় (কারণ এটি ইলেকট্রন হারায়) এবং অন্য পদার্থকে বিজারিত করে (কারণ অন্য পদার্থটি সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে)।
ক) ইলেকট্রন বর্জন
খ) ইলেকট্রন গ্রহণ
গ) ইলেকট্রন আদান-প্রদান
ঘ) তড়িৎ ধনাত্মক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
Note : রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু, অণু বা আয়ন যখন ইলেকট্রন ত্যাগ বা বর্জন করে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে জারণ (Oxidation) বলা হয়। জারণের ফলে সংশ্লিষ্ট вещества জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। একে সংক্ষেপে মনে রাখা হয়: 'জারণ মানে ছারণ' (ইলেকট্রন ছাড়ে)।
ক) কার্বন
খ) ফ্লোরিন
গ) ক্লোরিন
ঘ) পটাকিয়াম ডাইক্রোমেট
Note : বিজারক পদার্থ হলো সেই পদার্থ যা বিক্রিয়াকালে অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়, অর্থাৎ ইলেকট্রন দান করে। কার্বন (C) সাধারণত ইলেকট্রন দান করে যৌগ গঠন করে (যেমন: CO₂), তাই এটি একটি বিজারক পদার্থ। অন্যদিকে, ফ্লোরিন, ক্লোরিন এবং পটাকিয়াম ডাইক্রোমেট শক্তিশালী জারক পদার্থ, যারা ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
ক) পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
খ) পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
গ) রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
ঘ) তেজস্ক্রিয়তার ফলে
Note : সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে একাধিক হালকা পারমাণবিক নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারি নিউক্লিয়াস তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বা পারমাণবিক সংযোজন বিক্রিয়া বলে এবং এতে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।
ক) রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
খ) বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
গ) উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
ঘ) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক
Note : প্রেসার কুকারের ভেতরে জলীয় বাষ্প জমতে থাকায় চাপ বৃদ্ধি পায়। চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাঙ্কও বাড়ে। ফলে প্রেসার কুকারের ভেতরে পানি ১০০° সেলসিয়াসের চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফোটে এবং এই উচ্চ তাপমাত্রায় খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
ক) Fe₂O₃H₂O
খ) FeO₃H₂O₂
গ) Fe₃O₂ 5H₂O
ঘ) Fe₂O₃ nH₂O
Note : মরিচা হলো আর্দ্র বা সজল আয়রন(III) অক্সাইড। এর রাসায়নিক সংকেত হলো Fe₂O₃·nH₂O। এখানে 'n' দ্বারা পানির অণুর অনির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝানো হয় কারণ মরিচার গঠনের সাথে পানির অণুর সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
জব সলুশন