পলিথিন পোড়ালে এর উপকরণ পলিভিনাইল ক্লোরাইড পুড়ে উৎপন্ন হয়-

ক) কার্বন ডাই-অক্সাইড
খ) হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও ডাই-অক্সিন
গ) কার্বন মনোক্সাইড
ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
PVC-এর মতো ক্লোরিনযুক্ত প্লাস্টিক পোড়ালে ডাইঅক্সিন এবং ফিউরানের মতো অত্যন্ত বিষাক্ত যৌগ উৎপন্ন হয়। যদি নাইট্রোজেনযুক্ত প্লাস্টিক মিশ্রিত থাকে, তবে হাইড্রোজেন সায়ানাইডও তৈরি হতে পারে। এই বিষাক্ত গ্যাসগুলো পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

Related Questions

ক) CH ≡ CH
খ) CH₂ = CHCl
গ) ClCH = CHCl
ঘ) CH₂ = CHCH₂Cl
Note : PVC-এর পূর্ণরূপ হলো পলিভিনাইল ক্লোরাইড (Polyvinyl Chloride)। এটি ভিনাইল ক্লোরাইড (Vinyl Chloride) নামক মনোমারের পলিমারকরণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়, যার রাসায়নিক সংকেত হলো CH₂=CHCl।
ক) লিগনিন
খ) সেলুলোজ
গ) হেমিসেলুলোজ
ঘ) রেজিন
Note : কাগজ উদ্ভিদজাত তন্তু থেকে তৈরি হয় যার প্রধান উপাদান হলো সেলুলোজ। সেলুলোজ একটি পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের মূল কাঠামো গঠন করে। লিগনিন এবং হেমিসেলুলোজও কাঠে থাকে কিন্তু কাগজ তৈরির প্রক্রিয়ায় লিগনিন মূলত অপসারণ করা হয় এবং সেলুলোজই প্রধান উপাদান হিসেবে থেকে যায়।
ক) হাইড্রোজেন
খ) অক্সিজেন
গ) ক্লোরিন
ঘ) ব্রোমিন
Note : জারক পদার্থ হলো যা ইলেকট্রন গ্রহণ করে। অক্সিজেন, ক্লোরিন এবং ব্রোমিন প্রত্যেকেই শক্তিশালী অধাতু এবং তীব্র জারক পদার্থ, কারণ এদের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা খুব বেশি। অন্যদিকে, হাইড্রোজেন (H₂) সাধারণত বিজারক হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন দান করে H⁺ আয়নে পরিণত হয়।
ক) জারক
খ) জারিত
গ) বিজারক
ঘ) বিজারিত
Note : যে পদার্থ বিক্রিয়াকালে ইলেকট্রন দান করে, তাকে বিজারক পদার্থ (Reducing Agent) বলা হয়। বিজারক পদার্থ নিজে জারিত হয় (কারণ এটি ইলেকট্রন হারায়) এবং অন্য পদার্থকে বিজারিত করে (কারণ অন্য পদার্থটি সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে)।
ক) ইলেকট্রন বর্জন
খ) ইলেকট্রন গ্রহণ
গ) ইলেকট্রন আদান-প্রদান
ঘ) তড়িৎ ধনাত্মক মৌলের বা মূলকের অপসারণ
Note : রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো পরমাণু, অণু বা আয়ন যখন ইলেকট্রন ত্যাগ বা বর্জন করে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে জারণ (Oxidation) বলা হয়। জারণের ফলে সংশ্লিষ্ট вещества জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। একে সংক্ষেপে মনে রাখা হয়: 'জারণ মানে ছারণ' (ইলেকট্রন ছাড়ে)।
ক) কার্বন
খ) ফ্লোরিন
গ) ক্লোরিন
ঘ) পটাকিয়াম ডাইক্রোমেট
Note : বিজারক পদার্থ হলো সেই পদার্থ যা বিক্রিয়াকালে অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়, অর্থাৎ ইলেকট্রন দান করে। কার্বন (C) সাধারণত ইলেকট্রন দান করে যৌগ গঠন করে (যেমন: CO₂), তাই এটি একটি বিজারক পদার্থ। অন্যদিকে, ফ্লোরিন, ক্লোরিন এবং পটাকিয়াম ডাইক্রোমেট শক্তিশালী জারক পদার্থ, যারা ইলেকট্রন গ্রহণ করে।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

৮ম এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা — মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) 2026-04-18

ভূমি মন্ত্রণালয় - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ২০২৬

নেসকো - সাব-স্টেশন সহকারী ২০২৬

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড - ট্রেইনি ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট 2026-02-07

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন