বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আইনানুসারে লিখিত পত্রকে কী বলে ?
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আইনানুসারে লিখিত পত্রকে দলিলপত্র বলে। এটি বিভিন্ন আইনি এবং আনুষ্ঠানিক কাজে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
Related Questions
'নদের চাঁদ' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি। অর্থাৎ, যে ব্যক্তির নিজের ভেতর কোনো গুণ নেই, অথচ সে নিজেকে খুব বড় বা অহংকারী মনে করে। বাংলা ব্যাকরণে বিদ্রুপাত্মক অর্থে এটি ব্যবহার করা হয়।
পোস্টাল কোড বা পোস্ট কোড মূলত প্রাপকের এলাকা এবং নির্দিষ্ট ডাকঘর নির্দেশ করে। এটি সংখ্যা বা অক্ষরের একটি ছোট সংমিশ্রণ যা চিঠি বা পার্সেল দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ডাক বিভাগ ব্যবহার করে।
তুষারশুভ্র একটি পরিচিত উপমান কর্মধারয় সমাস। এর ব্যাসবাক্য হলো: তুষারের ন্যায় শুভ্র
বাংলা ব্যাকরণের সমাসের রীতি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।সংস্কৃত ব্যাকরণের অনুকরণে এবং সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি শব্দ ও বাক্য গঠনের এই নিয়মগুলো বাংলায় যুক্ত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে এটি রূপতত্ত্ব বা শব্দগঠন অংশে আলোচিত হয়।
ন্যূনতম বানানটি শুদ্ধ。 এর বিপরীত বা ভুল বানানটি হলো "নূন্যতম"
'ন্যূন' শব্দের অর্থ কম, আর সেখান থেকে 'ন্যূনতম' শব্দের অর্থ দাঁড়ায় সর্বনিম্ন বা অন্তত
কুচ্ছিত - অর্ধতৎসম শব্দ। কারণ, কুৎসিত(তৎসম) < কুচ্ছিত (অর্ধ তৎসম)।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলি সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু শব্দগুলির যথাযথ রূপ রক্ষা পায়নি, বিকৃত হয়ে গেছে, তাদের অর্ধতৎসম শব্দ বলে। যেমন: নিমন্ত্রণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসে 'নেমন্তন্ন' হয়ে গেছে। এটি অর্ধতৎসম শব্দ।
- তৎসম,অর্ধতৎসম ও তদ্ভব এই তিন ধরনের শব্দ মিলে বাংলা ভাষার শরীর গঠিত হয়েছে।
- তৎসম ও তদ্ভব (তৎ+ভব) শব্দ গুলো ব্যবহার শুরু করে ছিলেন প্রাকৃত ভষার ব্যাকরন রচয়িতারা।
- বাংলা ভাষার শতকরা বায়ান্ন(৫২) টি শব্দ অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দ।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ রয়েছে শতকরা চুয়াল্লিশটি(৪৪)।
- বাংলা ভাষায় শতকরা ছিয়ানব্বইটি মৌলিক বাংলা শব্দ রয়েছে।।
জব সলুশন