কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে ?
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার থেকে। সময়ের সাথে বিবর্তনের মাধ্যমে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে মাগধী প্রাকৃত এবং পরবর্তীতে মাগধী অপভ্রংশ রূপের সৃষ্টি হয়। এই মাগধী অপভ্রংশ থেকেই ধীরে ধীরে আজকের বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে
Related Questions
যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বোঝাতে ড্যাশ (—) ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য বিরাম চিহ্নের ব্যবহার:
• কোলন (:): একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য বা উদাহরণ উপস্থাপন করতে কোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন: সভায় ঠিক করা হল: এক মাস পর আবার সভা হবে।
• সেমিকোলন (;): কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি বোঝাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন: আমরা সবাই সবাইকে ভালোবাসি; আসলেই কি সবাই ভালোবাসি?
• হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন (-): সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়। যেমন: সুখ-দুঃখ, মা-বাবা।
ভাব-সম্প্রসারণে হুবহু মূল ছত্র (বা মূল ভাব) ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয়। মূল উদ্ধৃতিটি হুবহু না লিখে নিজের ভাষায় তার অন্তর্নিহিত অর্থ বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করতে হয়।
বাক্যের পুনরাবৃত্তি ভাব-সম্প্রসারণের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়। বরং একই কথা বা বাক্যের বারবার ব্যবহার এর গুণগত মান নষ্ট করে। ভাব-সম্প্রসারণ লেখার সময় সর্বদা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ পরিহার করা এবং সুনির্দিষ্ট যুক্তির মাধ্যমে ভাবের বিস্তার করা উচিত।
সারাংশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রাঞ্জলতা। অর্থাৎ, যে বিষয় সম্পর্ক নিয়ে সারাংশ লেখা হচ্ছে তা স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে। অতিরিক্ত বড় করা যাবে না সারাংশ। শুধুমাত্র মূল ভাব ফুটিয়ে তুলতে হবে। যে অনুচ্ছেদ দেয়া থাকবে, সেটা থেকে বাক্য লিখা যাবে না।
পরবর্তীতে তার সাথে আমার আর সাক্ষাত হয় নি - বাক্যটি সঠিক।
এখানে সাধু রীতি বা চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটে নি, শুধু চলিত রীতি ব্যবহার করা হয়েছে, তাই বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষ মুক্ত। আবার তৎসম এবং বাংলা শব্দের মিশ্রণ হয় নি, তাই বাহুল্য দোষমুক্ত।
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আইনানুসারে লিখিত পত্রকে দলিলপত্র বলে। এটি বিভিন্ন আইনি এবং আনুষ্ঠানিক কাজে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
জব সলুশন