টপিকঃ বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক
1.
‘ঠোঁট-কাটা’ বলতে কী বোঝায়?
• ‘ঠোঁট-কাটা’ শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু বলতে দ্বিধাবোধ করে না এমন, স্পষ্টবক্তা বা স্পষ্টবাদী।
• ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলতে বোঝায় একচোখা বা এক পক্ষের প্রতি অনুরক্ত।
2.
অক্ষির সমীপে- এর সংক্ষেপণ হল-
- ‘অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ।
- অন্যদিকে,
- ‘অক্ষির সম্মুখে’ হলো প্রত্যক্ষ,
- ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো পরোক্ষ এবং
- ‘পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন’ হলো নিরপেক্ষ।
3.
‘অদিতি’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
পৃথিবীর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো - ধরা, ধরিত্রী, ধরণী, অবনী, মেদিনী, পৃ, পৃথ্বী, ভূ, বসুধা, বসুন্ধরা, জাহান, জগৎ, দুনিয়া, ভূবন, বিশ্ব, ভূ - মণ্ডল।
4.
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? – এখানে ‘না’ এর ব্যবহার কী অর্থে?
-প্রদত্ত বাক্যে ‘না’ এর ব্যবহার ‘হ্যাঁ' বোধক।
-কারণ, মনে রাখবেন- নেতিবাচক/না বোধক বাক্য দ্বারা ‘প্রশ্ন করলে’ সবসময় হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। যেমনঃ
- রবীন্দ্রনাথের বই যে ভাল, তা কি আমি জানি না? -এখানে বক্তা আসলে জানেন যে, রবীন্দ্রনাথের বই ভাল।
-এরূপ- উক্ত বাক্যে আগামী কাল আসার বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রকাশে না এর ব্যবহার হয়েছে, যা মূলত নিশ্চয়তা জ্ঞাপক বিবৃতি প্রকাশ করছে। তাই শুদ্ধ উত্তর হ্যাঁ- বাচক।
এরূপ- বিভিন্ন অর্থে ‘না’ অব্যয়টি ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
নিষেধ অর্থেঃ এখন যেও না (ক্রিয়া বিশেষণ) ।
বিকল্প প্রকাশে : তিনি যাবেন, না হয় আমি যাব।
আদর প্রকাশে বা অনুরোধে : আর একটি মিষ্টি খাও না খোকা। আর একটা গান গাও না।
সম্ভাবনায় : তিনি না কি ঢাকায় যাবেন।
বিস্ময়ে : কী করেই না দিন কাটাচ্ছ!
তুলনায় : ছেলে তো না, যেন একটা হিটলার।
5.
’অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। উপসর্গের নিজের কোনো অর্থ নেই। কিন্তু নতুন নতুন অর্থবোধক তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এখানে, অচিন (চিন-পরিচয়ের অভাব), অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি নঞর্থক/ না/ অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
একইভাবেঃ অজানা, অথৈ:- অভাব অর্থে
6.
‘Notification’ এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
Notification' এর বাংলা পরিভাষা ‘প্রজ্ঞাপন'।
7.
.“যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম”– এটি কোন জাতীয় বাক্য?
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যে সাথে এক বা একাধিক আশ্রিতবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয় ,তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে ।
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি , যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও ,যেহেতু-সেহেতু ,যত-তত ,যেমন-তেমন ,যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষে যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে ,তাকে জটিল বাক্য বলে।
সাধারণ মিশ্র বাক্য যেমন হয়ঃ
১: মিশ্র বাক্যে একের বেশি স্বাধীন খণ্ড বাক্য থাকবে।
২: মিশ্র বাক্যে অন্তত একটি অধীন খণ্ডবাক্য থাকবে।
৩: জটিল+জটিল, জটিল+সরল, জটিল+যৌগিক এই তিন ভাবে (অথবা উল্টো দিক থেকে) মিশ্র বাক্য হতে পারে।
এ ছাড়া যৌগিক+সরল/সরল+যৌগিক বাক্যেও মিশ্র বাক্য হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে একটি বাক্যকে অপ্রধান খণ্ডবাক্যের ভূমিকা পালন করতে হবে।
যেমন: রাম এসেছিল এবং শ্যাম এসেছিল, সে কথা তারা আমাকে জানায়নি। (যৌগিক+সরল)
এখানে যৌগিক বাক্যটি একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্যের মত কাজ করছে।
8.
কোনটি প্রত্যয়-সাধিত শব্দ?
- ক্রিয়ামূল বা নাম প্রকৃতির পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় সাধারণত ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়।
যেমন:
• √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত,
• মনু + ষ্ণ = মানব,
• এক+ইক = ঐকিক ইত্যাদি।
9.
বঙ্কিম' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
বঙ্কিম এর বিপরীত শব্দ ঋজু।
- ঋজু শব্দের অর্থ অবক্র, সোজা।
• বন্ধুর - মসৃণ
• অসম - সুষম
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দঃ
অনিষ্ট - ইষ্ট
মৌন - মুখরতা
মৌনী - মুখর
নয় - অবিনয়
খাতক - মহাজন
লায়েক - নালায়েক
আদিষ্ট - নিষিদ্ধ
রাজি - গররাজি।
10.
“জিজীবিষা’ শব্দটি দিয়ে বােঝায়–
এককথায় প্রকাশ :
বেঁচে থাকার ইচ্ছা→ জিজীবিষা।
জয়ের ইচ্ছা→জিগীষা।
হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা→জিঘাংসা।
11.
সন্ধি-সাধিত শব্দ ‘পরস্পর’ কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
নিয়ম বহির্ভূত অথচ প্রচিলত এরকম কিছু্কেই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়। যেমন - আ + চর্য = আশ্চর্য, মনস + ঈষা = মনীষা , ষট্ + দশ = ষোড়শ , পর + পর = পরস্পর ।
13.
‘দ্যুলোক’ শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
”দ্যুলোক” শব্দের যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে দিব্ + লোক।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি 'দ্যুলোক' এর যথার্থ সন্ধি বিচ্ছেদ হল : দিব্ + লোক। আরো কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি হল : এক্ + দশ = একাদশ, ষট্ + দশ = ষোড়শ, মনস্ + ঈশা = মনীষা, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, গো + পদ = গোষ্পদ, দিব্ + লোক = দ্যুলোক, বন্ + পতি = বনস্পতি, পর্ + পর = পরস্পর, আ + চর্য = আশ্চর্য, তৎ + কর = তস্কর
14.
বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?
ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেমন প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্যন্ত্র বলে। মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই রাগযন্ত্রের বাগ্যসমূহ হলো। মূল অন্তর্ভুক্ত। আলভিত, অধিজিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, ৬ষ্ঠ, নাসারন্ধ, নাসিকা শহর, মুখ, নিচের চোয়াল, গলবিনীয় হার, যন্ত্র, খাদ্যনালী, শ্বাসনালী, ফুসফুস ।বাগ্যন্ত্রের প্রধান প্রত্যঙ্গটি হলো ফুসফুস।
15.
গুরুচন্ডালী দোষমুক্ত কোনটি?
গুরুচণ্ডালী দোষ : সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা বাংলা ভাষারই দুটো রীতি। এক রীতির সাথে অন্য রীতি মিলিয়ে ফেললে ভাষা অসুন্দর হয়, ভাষা রীতিতে ত্রুটি ঘটে। সাধু ও চলিত ভাষার ত্রুটিপূর্ণ মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। যেমন: শব পোড়া বা পোড়া মরা - এইগুলা গুরুচণ্ডালী দোষযুক্ত। শব মানে মরা, দাহ মানে পোড়ানো। তাই সঠিক উত্তর - শবদাহ।
16.
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ কয়টি?
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। স্বরধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ। যেমন - অ, আ, ই ইত্যাদি। অন্যদিকে ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ। যেমন - ক, খ, গ ইত্যাদি । উল্লেখ্য, বাংলা বর্ণমালার ৫০ টি বর্ণের মধ্যে ৩২ টিতে পূর্ণমাত্রা, ৮ টিতে অর্ধমাত্রা ও ১০ টিতে কোনো মাত্রা ব্যবহৃত হয় না।
17.
'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারার 'গড্ডল' শব্দের অর্থ কী?
গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগধারাটির 'গড্ডল' শব্দের অর্থ হলো 'ভেড়া'। এই বাগধারাটি অন্ধ অনুকরণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
18.
‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ: জ্ + ঞ। এছাড়া এ যুক্ত বর্ণ দ্বারা গঠিত শব্দ: জ্ঞান, সংজ্ঞা ইত্যাদি।
19.
যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয়-
ক্রিয়ার স্থান ,কাল ও কারণাদির বৈশিষ্ট্য বা প্রকৃতিগত অবস্থা যেসব শব্দ দ্বারা প্রকাশিত হয় তাদের ক্রিয়া - বিশেষণ বলে। যেমন - ধীরে যাও, সুন্দর গায় ইত্যাদি। যে বিশেষ্য ক্রিয়ার কোনো নাম বোঝায় তাকে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন - খাওয়া, যাওয়া, গমন ইত্যাদি।
20.
'বিষণ্ণ' শব্দটির সঠিক বিশেষ্য রূপ কোনটি?
'বিষণ্ণ' হলো একটি বিশেষণ পদ যার বিশেষ্য বা ভাববাচক বিশেষ্য পদ হলো 'বিষাদ' যার অর্থ গভীর দুঃখ বা হতাশা।
21.
‘Intellectual’ শব্দের বাংলা অর্থ-
Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ - বুদ্ধিজীবী
22.
কোনটি শুদ্ধ?
সৌজন্য: (বিশেষ্য পদ) ভদ্রতা, অমায়িকতা, শিষ্ট - ব্যবহার।
23.
‘যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা’ ‒ এখানে ‘মুখ’ বলতে কী বোঝায়?
যে ভাষায় শব্দভাণ্ডার যত সমৃদ্ধ এবং যত বেশি অর্থবৈচিত্র্যে ঋদ্ধ সেই ভাষা তত উন্নত বলে স্বীকৃত। বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়ায় এ ভাষায় বানান ও উচ্চারণগত অভিন্নতা সত্ত্বে ও একই শব্দ বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে। উপরিউক্ত প্রশ্নে 'মুখ' দ্বারা এখানে স্পষ্টতই শক্তি বুঝানো হয়েছে।
24.
‘কৃষ্টি’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়
কৃষ্টি শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়: কৃষ্ + তি ; অনুরূপভাবে, সৃজ + তি = সৃষ্টি, দৃশ + তি = দৃষ্টি।
25.
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর কয়টি?
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। এগুলি হলো ঐ (যা 'অ' এবং 'ই' এর সমন্বয়ে গঠিত) এবং ঔ (যা 'অ' এবং 'উ' এর সমন্বয়ে গঠিত)। এই দুটি স্বরবর্ণ অন্য দুটি স্বরবর্ণের মিলনে তৈরি হওয়ায় এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।
26.
কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক ?
বাকি গুলো হবে - যত গর্জে তত বর্ষে না, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা এবং যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।
27.
কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে ?
পাকা পাকা বলতে আধিক্য বোঝানো হয়েছে। দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে বোঝায় ঐ সকল শব্দ, যা বাক্যের মধ্যে পরপর দু'বার উচ্চারিত হয়েছে।
28.
যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে। কোন ধরনের বাক্য?
29.
‘শিখণ্ডী’ শব্দের অর্থ কী?
শিখণ্ডী শব্দের অর্থ : ময়ূর। এছাড়াও ময়ূরের অন্য সমার্থক শব্দ হলো: শিখী, কলাপী, বহী। কবুতরের সমার্থক শব্দ : পায়রা, কপোত, পারাবত। কোকিলের সমার্থক শব্দ : পিক, পরভৃত।খরগোশের সমার্থক শব্দ : শশক।
30.
'শিক্ষককে বুঝতে হবে শিক্ষার্থী কী চায়'- এই বাক্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর প্রয়োগ হয়েছে-
এই বাক্যে 'শিক্ষক' এবং 'শিক্ষার্থী' উভয়ই জাতিবাচক একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মাধ্যমে সকল শিক্ষক এবং সকল শিক্ষার্থীকে বোঝানো হচ্ছে; অর্থাৎ এখানে শব্দ দুটি বহুবচন অর্থে প্রয়োগ করা হয়েছে।
31.
'আফতাব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
'আফতাব' একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ সূর্য। 'অর্ক' শব্দটিও সূর্যের একটি সমার্থক শব্দ। 'অর্ণব' ও 'জলধি' অর্থ সমুদ্র।
32.
‘যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন’ এর এককথায় প্রকাশিত রূপ হলো
যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন = নৈয়ায়িক। ন্যায়শাস্ত্রে সুপণ্ডিত = ন্যায়বাগীশ। দেশের প্রশাসন ও বিচারবিভাগের অতিরিক্ত বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচারক = ন্যায়পাল ।
33.
'রুখের তন্তুলি কুমীরে খাই' - এর অর্থ কী?
প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥" এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷ পদটির গূঢ়ার্থ হলো: অপরিশুদ্ধ চিত্তে বোধি বা পরমজ্ঞানকে ধারণ করা যায় না। দেহের ইন্দ্রিয়াদি সকল কামনা - বাসনা, আশা আকাঙ্ক্ষাকে বিনাশ করে দেয়।
34.
নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?
35.
কাক ভূষণ্ডি’র অর্থ কী?
কাক ভুষণ্ডি = সম্পূর্ণ ভেজা ভূষণ্ডির কাক = দীর্ঘায়ু/দীর্ঘজীবী/অনেকদিনের অভিজ্ঞ ব্যক্তি কাক নিদ্রা = অগভীর সতর্ক নিদ্রা।
36.
কোন শব্দজোড়া বিপরীতার্থক নয়?
হৃষ্ট-পুষ্ট সমজাতীয় শব্দের অর্থ হলো সুস্থ ও মোটা।
গুরত্বপুর্ণ বিপরীতশব্দ সমূহ :
• হৃষ্ট - বিষণ্ণ
• হরদম - হটাৎ
• গ্রহণ - বর্জন
• রদ - চালু
• লঘু - গুরু
37.
নিম্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে কোন বানানটি সঠিক খুঁজে বের করুন?
সঠিক বানানটি হলো 'Rendezvous' যার অর্থ পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎ বা মিলনস্থল।
39.
'রাজপথ' শব্দের ব্যাসবাক্য কেনটি?
'রাজপথ' হলো ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসের ব্যাসবাক্য হলো 'পথের রাজা'।
40.
‘রত্নাকর ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কর –
অ/আ কারের সাথে অ/আ কার যোগ হলে আ কার হয়। যেমনঃ - রত্ন + আকর = রত্নাকর, বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ইত্যাদি।
41.
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ ‒ এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্বক দ্বিরুক্তি। যেমন, কিচির মিচির, টাপুর টুপুর।
42.
কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে?
নামপুরুষ : বাক্যে বক্তা অনুপস্থিত যেসব ব্যক্তি, বস্ত্ত বা প্রাণীর উল্লেখ করেন, তাদের নামপুরুষ বলে। অর্থাৎ, বক্তার সামনে নেই এমন যা কিছুর কথা বক্তা বাক্যে বলেন, সবগুলোই নামপুরুষ। নাম পুরুষের সর্বনামের রূপ হলো - সে, তারা, তাহারা, তাদের, তাহাকে, তিনি, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের, ইত্যাদি।
43.
‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’ এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?
- এটি একটি অপ্রচলিত প্রশ্ন ।
- একটি উপমেয়কে অস্বীকার করে, সেখানে অন্য একটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তাহলে অপহ্নতি অলংকার হয়।
- এখানে জল কে অস্বীকার করে অশ্রুধারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
44.
' তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি' ---- এটা কোন ধরনের বাক্য ?
যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে। যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো ও, এবং, অথবা,কিন্তু,বরং,তথাপি প্রভৃতি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
45.
কোনটি বিশেষণ?
বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। 'সৎ' শব্দটি কোনো ব্যক্তির গুণ (যেমন: সৎ লোক) প্রকাশ করে, তাই এটি একটি বিশেষণ পদ। 'একতা', 'দর্শন', 'জনতা' বিশেষ্য পদ।
46.
দুটি পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে কোনটির?
কিছু পুরুষবাচক শব্দের দুটি করে স্ত্রীবাচক শব্দ রয়েছে।
যেমন -
দেবর - ননদ (দেবরের বোন) এবং জা (দেবরের স্ত্রী)।
ভাই - বোন এবং ভাবী (ভাইয়ের স্ত্রী)।
47.
' সন্ধি' ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
• বাংলা ব্যাকারণের প্রধান ও মৌলিক আলোচ্য বিষয় চারটি , যথা--ধ্বনিতত্ত্ব, শব্দতত্ত্ব, রুপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম ও অর্থতত্ত্ব।
• রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ক্রিয়ার কাল, কারক, লিঙ্গ,উপসর্গ,প্রত্যয়,সমাস,বচন ইত্যাদি।
• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়--ণত্ব ও যত্ব বিধান, সন্ধি, ধ্বনি পরিবর্তন ইত্যাদি।
• বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষ্য--বাক্যর গঠন প্রণালী, বীড়াম বা জটী চিহ্ন, বাগধারা ইত্যাদি।
48.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
বিশেষণ পদ সরাসরি বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষায়িত/মডিফাই করে।
লক্ষ করুনঃ
ছেলেটি অনেক_____
শুন্যস্থানে ভাল/ গম্ভীর / চঞ্চল / বুদ্ধিমান / উদার / কঠিন / চতুর/ সরল ইত্যাদি বসানো যায়। এইগুলো ছেলেটিকে (বিশেষ্য) সরাসরি মডিফাই করেছে তাই এগুলো বিশেষণ পদ।
আবার, ছেলেটির ____আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই শূন্যস্থানে গাম্ভীর্য / চাঞ্চল্য / ঔদার্র / চাতুর্য / কাঠিন্য / সারল্য ইত্যাদি বসানো যায়। এখানে এই পদগুলো ছেলেটির গুন / দোষ বোঝানো হয়েছে। তাই এইগুলো বিশেষ্য পদ।
49.
সঠিক বানান কোনটি, চিহ্নিত করুন।
50.
অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি?