টপিকঃ বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক

বিষয়

বাংলা ব্যাকরণ

Free Access - Limited to 50 questions total

1.

গৃহী এর বিপরীত শব্দ—

ক) সংসারী
খ) সঞ্চয়ী
গ) সংস্তিতি
ঘ) সন্ন্যাসী
Note :

 • 'গৃহী' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সন্ন্যাসী

• কিছু ব্যাতিক্রম বিপরীত শব্দ যা পরীক্ষায় বার বার আসেঃ
আশু - বিলম্ব
অনিষ্ট - ইষ্ট
মৌন - মুখরতা
মৌনী - মুখর
নয় - অবিনয়
খাতক - মহাজন
লায়েক - নালায়েক
আদিষ্ট - নিষিদ্ধ
রাজি - গররাজি
প্রসন্ন - বিষণ্ন
উৎকৃষ্ট - নিকৃষ্ট

2.

'তোমার নাম কী?'—এখানে 'কী' কোন প্রকারের পদ?

ক) প্রশ্নবাচক
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) বিশেষণ
Note :

-প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
-কি, কী, কে, কারা, কাকে, কিসে প্রভৃতি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
-সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত ‘কী’ শব্দটির বানানে দীর্ঘ-ঈ- কার হয়।
যেমন:
-তোমার নাম কী?
-তুমি কী খেয়েছো?
-দৃষ্টিশক্তি বাড়াবার পন্থাটা কী?
-আমি নিজে কী করি?

তবে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত ‘কি’ শব্দের বানানে হ্রস্ব-ই-কার হয়।

3.

”বাবা” কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

ক) সংস্কৃত
খ) হিন্দি
গ) অহমিয়া
ঘ) তুর্কি
Note :

"বাবা" শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।

তুর্কি ভাষার আরো কিছু শব্দ হলো - - চাকর, চাকু, ঠাকুর, বাবুর্চি, মোগল ইত্যাদি।

পানি হিন্দি শব্দ।

4.

‘লাঠালাঠি’- এটি কোন সমাস?

ক) প্রাদিসমাস
খ) ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস
গ) তৎপুরুষ সমাস
ঘ) কর্মধারয় সমাস
Note :

লাঠালাঠি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।

ক্রিয়ার পারস্পরিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়। এ সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং উত্তর পদে 'ই' যুক্ত হয়। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই = লাঠালাঠি।

5.

কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক ?

ক) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
খ) যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
গ) নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
ঘ) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
Note :

বাকি গুলো হবে - যত গর্জে তত বর্ষে না, নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা এবং যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।

6.

সঠিক বানান কোনটি, চিহ্নিত করুন।

ক) Consciencious
খ) Conscienctious
গ) Consciencitious
ঘ) Conscientious

7.

ছড়ার ছন্দকে কী বলে?

ক) স্বরবৃত্ত
খ) মাত্রাবৃত্ত
গ) অক্ষরবৃত্ত
ঘ) গদ্যছন্দ
Note :

ছড়ার ছন্দ সাধারণত দ্রুত লয়ের হয় এবং প্রতি পর্বে ৪টি করে মাত্রা থাকে। এই ধরনের ছন্দকে 'স্বরবৃত্ত' বা 'দলবৃত্ত' বা 'ছড়ার ছন্দ' বলা হয়। এটি বাংলা ভাষার সবচেয়ে লোকপ্রিয় এবং 자연িক ছন্দ।

8.

'অজর' শব্দের বিপরীত কোনটি?

ক) অমলিন
খ) বার্ধক্য
গ) অমর
ঘ) ব্যাধিগ্রস্ত
Note :

অজর' শব্দের অর্থ হলো যা জরাগ্রস্ত নয় বা যা বৃদ্ধ হয় না। এর বিপরীত শব্দ হলো 'ব্যাধিগ্রস্ত' যা রোগে আক্রান্ত বা জরাগ্রস্ত।

9.

বাক্যের দুটি অংশ থাকে

ক) প্রসাদগুণ, মাধুর্যগুণ
খ) উপমা, অলংকার
গ) উদ্দেশ্য, বিধেয়
ঘ) সাধু, চলিত
Note :

প্রতিটি বাক্যে প্রধানত দুটি অংশ থাকে। যথা: ১. উদ্দেশ্য, ২. বিধেয়।
বাক্যের যে অংশ কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়, তাকে উদ্দেশ্য এবং উদ্দেশ্য সম্বন্ধে যা বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। যেমন: খোকা এখন (উদ্দেশ্য) বই পড়ছে (বিধেয়)।

10.

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলে—

ক) বিভক্তি
খ) ধাতু
গ) প্রত্যয়
ঘ) কৃৎ
Note :

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে 'ধাতু' বলা হয়। ক্রিয়া গঠন করতে হলে ধাতুর সাথে বিভক্তি, প্রত্যয় ইত্যাদি যুক্ত হয়। যেমন, 'করছে' ক্রিয়াপদের ধাতু হল 'কর্'।

অপশন ক) বিভক্তি: বিভক্তি হল কারক-প্রকরণ ও ক্রিয়ার কাল নির্ণয়ে ব্যবহৃত বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা পদের শেষে যুক্ত হয়। যেমন: 'আমি বই পড়ছি' – এখানে 'ছি' হল ক্রিয়ার বিভক্তি।

অপশন গ) প্রত্যয়: প্রত্যয় হল এক ধরণের বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে অথবা ক্রিয়াপদকে বিশেষ রূপ দেয়। 

অপশন ঘ) কৃৎ: কৃৎ হল এক প্রকার প্রত্যয় যা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া-বিশেষণ পদ গঠন করে। যেমন: 'কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ' করা ' থেকে ' কাজ ' (বিশেষ্য) তৈরি হয়।

11.

পারিভাষিক শব্দ বলতে বুঝায়-

ক) ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তর
খ) বিদেশি শব্দের অনুবাদ
গ) বিষয়গত সুনির্দিষ্ট অর্থবোধক শব্দ
ঘ) ব্যবহারিক প্রয়োজনে নবনির্মিত শব্দ
Note :

পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা কোনো নির্দিষ্ট জ্ঞান বা বিদ্যাশাখায় বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট অর্থ বহন করে। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি বিষয়গত ধারণা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করে। অন্য অপশনগুলো আংশিক সত্য হতে পারে তবে তা পারিভাষিক শব্দের মূল ধারণাকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করে না; কারণ অনুবাদ বা নবনির্মাণ শব্দটির সুনির্দিষ্ট অর্থকে নির্দেশ করে না।

12.

‘Notification’ এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?

ক) বিজ্ঞাপন
খ) বিজ্ঞপ্তি ফলক
গ) বিজ্ঞপ্তি
ঘ) প্রজ্ঞাপন
Note :

Notification' এর বাংলা পরিভাষা ‘প্রজ্ঞাপন'।

13.

কোন শব্দটি বিসর্গসন্ধির মাধ্যমে গঠিত?

ক) নীরব
খ) উজ্জ্বল
গ) মানোত্তীর্ণ
ঘ) সংগ্রাম
Note :

নীরব' শব্দটি 'নিঃ + রব' এই বিসর্গসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ 'র' তে রূপান্তরিত হয়েছে। 'উজ্জ্বল' গঠিত হয়েছে 'উৎ + জল' থেকে যা ব্যঞ্জনসন্ধি; 'সংগ্রাম' গঠিত হয়েছে 'সম্ + গ্রাম' থেকে যা ব্যঞ্জনসন্ধি। 'মানোত্তীর্ণ' এর ক্ষেত্রে 'মনঃ + উত্তীর্ণ' এর পরিবর্তে 'মান + উত্তীর্ণ' হলে এটি স্বরসন্ধি হয়; কিন্তু 'মানোত্তীর্ণ' একটি বিসর্গসন্ধি নয়।

14.

উপসর্গযুক্ত শব্দ-

ক) বিদ্যা
খ) বিদ্রোহী
গ) বিষয়
ঘ) বিপুল
Note :

- উপসর্গ হলো সেই শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- দ্রোহী একটি শব্দ যার অর্থ অনিষ্টাচারী।
- এর পূর্বে 'বি' উপসর্গ বসে গঠিত হয়েছে বিদ্রোহী শব্দটি।

15.

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে কী বলে?

ক) কর্ম
খ) ধাতু
গ) প্রত্যয়
ঘ) বিভক্তি
Note :

ক্রিয়াপদের যে অবিভাজ্য মূল অংশ, যা দিয়ে একটি কাজের ভাব প্রকাশ পায়, তাকে 'ধাতু' বলে। যেমন - 'করছে' ক্রিয়ার মূল অংশ বা ধাতু হলো 'কর্'।

16.

বাক্যের মধ্যে শব্দ অবস্থান করে কীভাবে?

ক) কর্তা ও ক্রিয়ার পদবিন্যাস অনুযায়ী
খ) অর্থ ও ভাব অনুযায়ী
গ) বর্গ বা গুচ্ছ আকারে
ঘ) স্বাধীন পদের পরিচয় নিয়ে
Note :

বাংলা বাক্যের শব্দবিন্যাসের প্রধান নিয়ম হলো প্রথমে কর্তা পরে কর্ম এবং সবশেষে ক্রিয়া বসে। অর্থাৎ পদবিন্যাস কর্তা ও ক্রিয়ার অবস্থানের ওপর নির্ভর করে।

17.

‘বন্ধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?

ক) ব + ন্ + ধ + ন্
খ) বন্ + ধন্
গ) ব + ন্ধ + ন
ঘ) বান্ + ধন্
Note :

সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগযন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। বাংলা ‘বন্ধন’ শব্দেরও বন্ + ধন্এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব + ন্ + ধ + ন্– এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ। 

18.

'সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।'— বাক্যটিতে কয়টি ভুল আছে?

ক) একটি
খ) দুটি
গ) তিনটি
ঘ) ভুল নেই
Note :

 এই বাক্যে ৩ টি বানান ভুল রয়েছে যেগুলো হলো- 

সুনামী→ সুনামি 

তান্ডব→ তাণ্ডব

সর্বশান্ত→ সর্বস্বান্ত 

19.

‘উলুবনে মুক্তা ছড়ানো’ প্রচলিত এমন শব্দগুচ্ছকে বলে

ক) প্রবাদ প্রবচন
খ) এককথায় প্রকাশ
গ) ভাবসম্প্রসারণ
ঘ) বাক্য সংকোচন
Note :

‘উলুবনে মুক্তা ছড়ানো’ অর্থ হলো অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান করা বা অপাত্রে মূল্যবান সম্পদ দেয়া।

20.

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলে—

ক) ধাতু
খ) বিভক্তি
গ) প্রত্যয়
ঘ) কৃৎ
Note :

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে ধাতু বলে। ধাতু তিন প্রকার। যথা: মৌলিক, সাধিত ও সংযতমূলক।

21.

‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?

ক) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাত-বিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
খ) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
গ) শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
ঘ) দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
Note :

' অবমূল্যায়ন' ও 'অবদান' শব্দ দুটিতে 'অব' উপসর্গটির অর্থ দু'রকম

উপসর্গ (বাংলা ব্যাকরণ)

‘উপসর্গ’ কথাটির মূল অর্থ ‘উপসৃষ্ট’। এর কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন করা। উপসর্গের নিজস্ব কোন অর্থ নেই, তবে এগুলো অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। মনে রাখতে হবে, উপসর্গ সব সময় মূল শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়।

22.

উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি?

ক) অ
খ) আ
গ) অ‍্যা
ঘ) এ
Note :

যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে সেগুলি উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি বলে। যেমন- এ,ও। যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিম্ন মধ্য অবস্থানে থাকে, সেগুলি নিম্নমধ্য স্বরধ্বনি। যেমন- অ‍্যা,অ।

23.

পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে 'স্মরণ' শব্দের ক্ষেত্রে কোনটি ঘটে?

ক) স-এর উচ্চারণ শ হয়ে যায়
খ) ণ-এর উচ্চারণ ন হয়ে যায়
গ) ম-ফলার উচ্চারণ ম হয়ে যায়
ঘ) শুরুতে নাসিক্য উচ্চারণ হয় না
Note :

পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে 'স্মরণ' শব্দের শুরুতে নাসিক্য উচ্চারণ হয় না এটি একটি সাধারণ প্রবণতা।

24.

কোনটি সঠিক বানান?

ক) নিশিথিনী
খ) নীশিথিনী
গ) নিশীথিনী
ঘ) নিশিথিনি
Note :

সঠিক বানান হলো নিশীথিনী

এই বানানটি 'নিশীথ' (অর্থাৎ গভীর রাত) এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি শব্দ এবং এর মানে গভীর রাতের অথবা নিশির রূপে বোঝানো হয়।

নিশীথিনী শব্দের সঠিক বানান এবং এর অর্থ সম্পর্কে বিস্তারিত:

বানান:

নিশীথিনী: এটি 'নিশীথ' শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি বিশেষণ বা নারীবাচক শব্দ যা গভীর রাত বা নিশির সময়কে নির্দেশ করে।

অর্থ:

নিশীথ: বাংলা ভাষায় 'নিশীথ' শব্দটি গভীর রাত বা মধ্যরাতকে বোঝায়। এটি এক ধরণের সূক্ষ্ম রাতের সময়, যখন রাতের গভীরতা অনেক বেশি।

নিশীথিনী: এর মানে গভীর রাতের কন্যা বা নিশির নারী। এটি মূলত গভীর রাতের ভাবনা বা অনুভূতির সাথে সংশ্লিষ্ট।

ব্যবহার:

'নিশীথিনী' শব্দটি সাহিত্যিক এবং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় ও অন্যান্য লেখায় ব্যবহার করা হয়েছে। এটি গভীর রাতের শান্তি, নিরবতা বা কাব্যিক ভাবনার প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে গভীর রাতের রহস্যময়তা এবং তার সাথে সম্পর্কিত অনুভূতিকে প্রকাশ করতে 'নিশীথিনী' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

ভুল বানান:

নিশিথিনী: এই বানান ভুল, কারণ 'থ' শব্দের সঠিক উচ্চারণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

নীশিথিনী: এই বানানেও ভুল, 'নীশিথ' শব্দের সাথে 'নীশ' বা 'নীল' শব্দের মিশ্রণ হতে পারে।

নিশিথিনি: এই বানানেও ভুল, কারণ এটি 'নিশীথ' বা গভীর রাতের সঠিক আভাস প্রদান করে না।

সুতরাং, সঠিক বানান হলো নিশীথিনী, যা গভীর রাতের বা নিশির সাথে সম্পর্কিত ভাবনাকে প্রকাশ করে।

25.

'অন্তর্ভুক্তিমূলক' শব্দ উচ্চারণে কয়টি অক্ষর পাওয়া যায়?

ক) 5
খ) 6
গ) 7
ঘ) 8
Note :

'অন্তর্ভুক্তিমূলক' শব্দটিকে উচ্চারণ অনুযায়ী ভাঙলে ৬টি অক্ষর বা দল পাওয়া যায়: অन् (on) - তোর্ (tor) - ভুক্ (bhuk) - তো (to) - মূ (mu) - লোক্ (lok)।

26.

‘রত্নাকর ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কর –

ক) রত্মা + কর
খ) রত্ন + কর
গ) রত্মা + আকার
ঘ) রত্ম + আকর
Note :

অ/আ কারের সাথে অ/আ কার যোগ হলে আ কার হয়।   যেমনঃ -  রত্ন  +   আকর  =  রত্নাকর,   বিদ্যা  +  আলয়  =  বিদ্যালয় ইত্যাদি।

27.

শুদ্ধ বাক্য কোনটি ?

ক) দুর্বলবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
খ) দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল
গ) দুর্বলবশতঃ অনাথা বসে পড়ল
ঘ) দুর্বলতাবশত: অনাথা বসে পড়ল
Note :

সঠিক বাক্য:

দুর্বলতাবশত: অনাথা বসে পড়ল।

সঠিক বানান: দুর্বলতাবশত এবং অনাথ এর স্ত্রীবাচক শব্দ হচ্ছে অনাথা।

28.

কোনটি ‘বাতাস’ শব্দের সমর্থক শব্দ নয়?

ক) পাবক
খ) অনিল
গ) মারুত
ঘ) মারুত
Note :

‘বাতাস’ শব্দের সমার্থক শব্দ : মারুত, পবন, অনিল, সমীর, রাত, মরুৎ ইত্যাদি।    পক্ষান্তরে, ‘পাবক’ শব্দের সমার্থক শব্দ : অগ্নি, আগুন, অনল, বহ্নি ইত্যাদি।

29.

কোনটি অশুদ্ধ বানান?

ক) Pneumonia
খ) Dyspepsia
গ) Gastitris
ঘ) Diarrhoea
Note :

এখানে 'Gastitris' বানানটি অশুদ্ধ। সঠিক বানানটি হলো 'Gastritis', যার অর্থ পাকস্থলীর প্রদাহ। অন্য বানানগুলো সঠিক।

30.

কোন শব্দে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে?

ক) তিসি
খ) মালি
গ) লাউ
ঘ) মেয়ে
Note :

যে স্বরধ্বনিতে দুটি স্বর একত্রে উচ্চারিত হয়, তাকে দ্বিস্বরধ্বনি বলে। 'লাউ' (আ+উ) এবং 'মেয়ে' (এ+এ) শব্দ দুটিতে দ্বিস্বরধ্বনি রয়েছে। তবে অপশনগুলোর মধ্যে 'লাউ' (আ+উ) একটি স্পষ্ট দ্বিস্বরধ্বনির উদাহরণ।

31.

যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-

ক) স্বরবৃত্ত
খ) পয়ার
গ) মাত্রাবৃত্ত
ঘ) অক্ষরবৃত্ত
Note :

স্বরবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। স্বরবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চার মাত্রার চালে চলতে পছন্দ করে। প্রধানত ছড়া এবং গান লিখতেই এই ছন্দ সচরাচর ব্যবহৃত হয়। এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য-
-স্বরবৃত্তের মূল বিষয়টিই আবর্তিত হয় দুটি সিলেবল বা দলকে (মুক্ত ও বদ্ধ দল) ঘিরে।
-স্বরবৃত্ত দ্রুত লয়ের ছন্দ।
-এই ছন্দের মূলপর্ব বা পূর্ণপর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
-মুক্তদল বা মুক্তাক্ষর এবং রুদ্ধদল বা বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্রাবিশিষ্ট।
-পর্বগুলো ছোট এবং দ্রুতলয়বিশিষ্ট। -এই ছন্দে যতি এবং দল ঘন ঘন পড়ে বলে বাগযন্ত্র দ্রুততা লাভ করে।
-প্রতি পর্বের প্রথম অক্ষর শ্বাসাঘাতযুক্ত।
-এই ছন্দের প্রয়োজনে ৫ মাত্রাকে সংবৃত উচ্চারণে ৪ মাত্রার মত আবৃত্তি করা যায়, আবার কোথাও এক মাত্রা কম থাকলে বিবৃত উচ্চারণ করে এক মাত্রাকে দুই মাত্রায় টেনে নেয়া যায়।

32.

গৌড়ী প্রাকৃত বলতে বোঝায়-

ক) গৌড় অঞ্চলের মুখের ভাষা
খ) গৌড় সাহিত্যের স্বাভাবিক রীতি
গ) গৌড় ভাষার লিখিত নমুনা
ঘ) গৌড় ভাষার বিকৃত উচ্চারণ
Note :

গৌড়ী প্রাকৃত বলতে মূলত প্রাচীন গৌড় অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা বা কথ্য রূপকে বোঝানো হয়।

33.

'স্বাধীন' শব্দের ব্যাসবাক্য কোনটি?

ক) স্বীয়-এর অধীন
খ) সত্ত্বার অধীন
গ) স্ব-এর অধীন
ঘ) স্বত্তের- অধীন
Note :

স্বাধীন' শব্দটি 'স্ব-এর অধীন' এই ব্যাসবাক্যের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে যা 'ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস' এর উদাহরণ। 'স্ব' মানে নিজ বা আত্ম এবং 'অধীন' মানে আয়ত্তাধীন বা বশবর্তী।

34.

কোন শ্রেণির ক্রিয়া নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?

ক) নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া
খ) সামাজিক ক্রিয়া
গ) ঐচ্ছিক ক্রিয়া
ঘ) ইচ্ছা-নিরপেক্ষ ক্রিয়া
Note :

নীতিবিদ্যা হলো সমাজে বসাবাসকারী মানুষের আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান যেখানে আচরণের সঠিকতা বা অসঠিকতা, ভালো বা মন্দ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। মানুষের আচরণ বা ঐচ্ছিক ক্রিয়া (Voluntary action) হচ্ছে নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয়।

35.

কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে ?

ক) নিখুঁত
খ) আনমনা
গ) নিমরাজি
ঘ) অবহেলা
Note :

বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সঙ্গে সঙ্গে সে সব ভাষার কিছু কিছু উপসর্গও বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। এই সব বিদেশি ভাষার উপসর্গগুলোই বিদেশি উপসর্গ।
- বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি উপসর্গ রয়েছে। যেমন—বে, বর, বদ, ফি, গর, নিম, দর, কাম ইত্যাদি।
- প্রয়োগ: বে—বেয়াদব, বেসামাল। বদ—বদলোক, বদনাম।
- বাংলা ভাষায় বিদেশি উপসর্গগুলো সাধারণত আরবি, ফারসি, হিন্দি, উওর্দু ও ইংরেজি থেকে এসেছে।

36.

'Glossary' শব্দের বাংলা পরিভাষা-

ক) জ্ঞাপনপত্র
খ) সর্বসাকল্যে
গ) শব্দার্থপঞ্জি
ঘ) গুদামজাত
Note :

Glossary' শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো 'শব্দার্থপঞ্জি' যা কোনো বই বা নথির শেষে ব্যবহৃত কঠিন শব্দের অর্থ তালিকাভুক্ত করে।

37.

‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কি?

ক) মাছ+ও
খ) মেছ+ও
গ) মাছি+উয়া(ও)
ঘ) মাছ+উয়া (ও)
Note :

- 'মেছো’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়--মাছ+উয়া(ও)।

• মাছ+উয়া>ও = মেছো
- এখানে 'উয়া>ও' বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যা উপজীবিকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ছাড়া বাকি সব প্রত্যয়কে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন : বাঘ+আ=বাঘা; ঘর+আমি=ঘরামি ইত্যাদি।

38.

‘বাবা’ কোন ভাষার অর্ন্তগত শব্দ?

ক) তৎসম
খ) তদ্ভব
গ) ফারসি
ঘ) তুর্কি
Note :

‘বাবা’ শব্দটি তুর্কি ভাষার অন্তর্ভুক্ত। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তুকি শব্দ- উজবুক, কোর্মা, তোশক, বেগম, কুরনিশ, কুলি ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য অন্যান্য শব্দ: তৎসম- কার্য, বৎস, হস্ত, গৃহ ইত্যাদি। তদ্ভব- কাজ, চামার, ভাত, হাত ইত্যাদি। ফারসি- আইন, আজাদ, আমদানি, দরিয়া, ফরিয়াদ ইত্যাদি।

39.

বাংলা আদি অধিবাসীগণ কোন ভাষাভাষী ছিলেন?

ক) বাংলা
খ) সংষ্কৃত
গ) হিন্দি
ঘ) অস্ট্রিক
Note :

অস্ট্রিক প্রাচীন বাংলার একটি নৃ - গোষ্ঠী।

প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত।

এরা বাংলাদেশের কোল, ভীল, সাঁওতাল প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষ রূপে চিহ্নিত।

ফলে বাংলার আদি অধিবাসীদের অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিলেন।

40.

দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদক-

ক) জশুয়া মার্শম্যান
খ) ডেভিড হেয়ার
গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঘ) মাইকেল মধুসুদন দত্ত
Note :

দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকটি প্রথমে মুদ্রিত হয় ১৮৬০ সালে। এর ইংরেজি অনুবাদ করেন রেভারেন্ড জেমস লং, তবে এই অনুবাদটি প্রকাশের সময়ে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর সহযোগিতা ছিল এবং তিনি ভূমিকা লিখেছিলেন।

41.

.“যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম”– এটি কোন জাতীয় বাক্য?

ক) সরল বাক্য
খ) যৌগিক বাক্য
গ) মৌলিক বাক্য
ঘ) মিশ্র বাক্য
Note :

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যে সাথে এক বা একাধিক আশ্রিতবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয় ,তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে ।

যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি , যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও ,যেহেতু-সেহেতু ,যত-তত ,যেমন-তেমন ,যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষে যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে ,তাকে জটিল বাক্য বলে।

সাধারণ মিশ্র বাক‍্য যেমন হয়ঃ 
১: মিশ্র বাক‍্যে একের বেশি স্বাধীন খণ্ড বাক‍্য থাকবে।
২: মিশ্র বাক‍্যে অন্তত একটি অধীন খণ্ড‌বাক‍্য থাকবে।
৩: জটিল+জটিল, জটিল+সরল, জটিল+যৌগিক এই তিন ভাবে (অথবা উল্টো দিক থেকে) মিশ্র বাক‍্য হতে পারে।
এ ছাড়া যৌগিক+সরল/সরল+যৌগিক বাক‍্যেও মিশ্র বাক‍্য হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে একটি বাক‍্যকে অপ্রধান খণ্ডবাক‍্যের ভূমিকা পালন করতে হবে‌।
যেমন: রাম এসেছিল এবং শ‍্যাম এসেছিল, সে কথা তারা আমাকে জানায়নি। (যৌগিক+সরল)
এখানে যৌগিক বাক‍্যটি একটি অপ্রধান খণ্ডবাক‍্যের মত কাজ করছে।

42.

কোন বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয় ?

ক) তিনিই সমাজের মাথা
খ) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
গ) লজ্জায় মাথা মাথা কাটা গেল
ঘ) মাথা নেই তার মাথা ব্যাথা
Note :

বাক্যে মাথা বলতে 'বুদ্ধি' কাজে লাগিয়ে কাজ করার কথা বুঝানো হয়েছে।

43.

কোনটি শুদ্ধ বানান?

ক) প্রজ্বল
খ) প্রোজ্জল
গ) প্রোজ্বল
ঘ) প্রোজ্জ্বল
Note :

কিছু শুদ্ধ বানান: বয়োজ্যেষ্ঠ, বাল্মীকি, বিদুষী, বিভীষিকা, বুদ্ধিজীবী, বৈয়াকরণ, পৈতৃক, প্রণয়ন, প্রতিযোগিতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রাণিবিদ্যা, প্রোজ্জ্বল/প্রজ্জ্বলন, ফটোস্ট্যাট, বহিষ্কার, ব্যর্থ, ব্যতীত ইত্যাদি। 

44.

কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে ?

ক) পাকা পাকা আম
খ) ছি ছি কী করছে
গ) নরম নরম হাত
ঘ) উড়ু উড়ু মন
Note :

পাকা পাকা বলতে আধিক্য বোঝানো হয়েছে। দ্বিরুক্ত শব্দ বলতে বোঝায় ঐ সকল শব্দ, যা বাক্যের মধ্যে পরপর দু'বার উচ্চারিত হয়েছে।

45.

‘ঐহিক’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

ক) ঈদৃশ
খ) পারত্রিক
গ) মাঙ্গলিক
ঘ) আকস্মিক
Note :

ঐহিক শব্দের অর্থ - ইহলোক সম্পর্কিত, এই জন্মেই ইত্যাদি । প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।

পারত্রিক শব্দের অর্থ - পরলোক,পরলোক সংক্রান্ত ইত্যাদি। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষণ পদ।

তাই ঐহিক শব্দের বিপরীত শব্দ পারত্রিক।

46.

অভিধানে ং, ঃ, ঁ এই বর্ণগুলোর অবস্থান কোথায়?

ক) স্বরবর্ণের আগে
খ) স্বরবর্ণের শেষে
গ) ব্যঞ্জনবর্ণের শেষে
ঘ) এদের নির্দিষ্ট অবস্থান নেই

47.

‘অনুকম্পা’ শব্দের ইংরেজি কোনটি?

ক) Clemency
খ) Enthrall
গ) Erudition
ঘ) Fathom
Note :

-clemency (noun) কোমলতা, অনুকম্পা।
-অন্যান্য শব্দার্থ হলো- Enthral- দাসত্বে আবদ্ধ করা Erudition- পাণ্ডিত্য Fathom- অনুধাবন করা, গভীরতা নির্ণয় করা।

48.

‘বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

ক) কলাপী
খ) নীরধি
গ) বিটপী
ঘ) অবনি
Note :

বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘বিটপী’। এর আরো কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো – গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু, পাদপ ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে, ‘কলাপী’ হচ্ছে ময়ূর শব্দে ‘নীরধি’ হচ্ছে ‘সাগর’ শব্দের এবং
অবনি’ হচ্ছে পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ।

49.

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর কয়টি?

ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৪টি
Note :

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা দুটি। এগুলি হলো (যা 'অ' এবং 'ই' এর সমন্বয়ে গঠিত) এবং (যা 'অ' এবং 'উ' এর সমন্বয়ে গঠিত)। এই দুটি স্বরবর্ণ অন্য দুটি স্বরবর্ণের মিলনে তৈরি হওয়ায় এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।

50.

কোনটি তদ্ভব শব্দ ?

ক) চাঁদ
খ) গগন
গ) সূর্য
ঘ) নক্ষত্র
Note :

"চাঁদ" শব্দটি একটি তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। "চাঁদ" শব্দটি সংস্কৃত "চন্দ্র" শব্দ থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা "চাঁদ" হয়েছে।

 

গগন): "গগন" শব্দটি তৎসম শব্দ। এটি সরাসরি সংস্কৃত "গগন" শব্দ থেকে এসেছে এবং এর রূপের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

সূর্য): "সূর্য" শব্দটি তৎসম শব্দ। এটি সরাসরি সংস্কৃত "সূর্য" শব্দ থেকে এসেছে এবং এর রূপের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

নক্ষত্র): "নক্ষত্র" শব্দটি তৎসম শব্দ। এটি সরাসরি সংস্কৃত "নক্ষত্র" শব্দ থেকে এসেছে এবং এর রূপের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

You've reached the free limit!

You can only see 50 questions with free access.

Login to upgrade