উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
ক) অব্যয় ও শব্দাংশে
খ) নতুন শব্দ গঠনে
গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে
ঘ) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
উভয়েরই কাজ নতুন শব্দ গঠন করা এবং উভয়েই শব্দাংশ। কিন্তু তাদের প্রধান ও সুস্পষ্ট পার্থক্য হলো অবস্থানগত। উপসর্গ শব্দের বা ধাতুর পূর্বে (সামনে) বসে এবং প্রত্যয় শব্দের বা ধাতুর পরে (পেছনে) বসে।
Related Questions
ক) √দা + তৃচ
খ) √দাতৃ=আ
গ) √দা+তা
ঘ) √দাত + আ
Note : দাতা' (দানকারী) শব্দটি 'দা' ধাতু (দেওয়া) থেকে এসেছে। কর্তিৃবাচক অর্থে 'দা' ধাতুর সাথে 'তৃচ্' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দাতৃ' শব্দটি গঠিত হয়, যার প্রথমার একবচনে রূপ হয় 'দাতা'।
ক) সাৎ
খ) সা
গ) ষ্ণে
ঘ) ষ্ণিক
Note : নিয়ম অনুযায়ী, সাৎ প্রত্যয়যুক্ত পদে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয় না, দন্ত-স (স) হয়। যেমন: ভূমিসাৎ, ধূলিসাৎ। অন্য প্রত্যয়গুলোর ক্ষেত্রে ষত্ব-বিধান প্রযোজ্য হতে পারে (যেমন: ভবিষ্যৎ, কৃষ্ণ)।
ক) √দীপ্য +মান
খ) √দিপ্য + মানচ
গ) √দিপ + শানচ
ঘ) √দীপ্ + শানচ্
Note : 'দীপ্যমান' একটি চলমান ক্রিয়া বোঝাচ্ছে। এর মূল ধাতু হলো 'দীপ্' (জ্বলা বা দীপ্তি দেওয়া)। এর সাথে 'শানচ্' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দীপ্যমান' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা বিশেষণ পদ।
ক) নাচ + অন
খ) জল +আ
গ) পাগল +আ
ঘ) মাঝ +আরি
Note : 'কৃৎ প্রত্যয়' ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়। এখানে 'নাচ' একটি ধাতু এবং 'অন' একটি কৃৎ প্রত্যয়, যা মিলে 'নাচন' (বিশেষ্য পদ) তৈরি করে। অন্যগুলো (জল, পাগল, মাঝ) নামশব্দ হওয়ায় তাদের সাথে যুক্ত প্রত্যয়গুলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
ক) √ শাম + তি
খ) √ শম + ত্তি
গ) √ শান্ত + ঈ
ঘ) √ শম্ + ক্তি
Note : শান্তি' শব্দটি 'শম্' ধাতু (শান্ত হওয়া) থেকে উদ্ভূত। এর সাথে 'ক্তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'শান্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে শম্ + ক্তি (তি) = শান্তি।
ক) বুদ্+ধি
খ) বুধ+দি
গ) বুধ্ + তি
ঘ) বুদ্ধ+ই
Note : বুদ্ধি' একটি কৃদন্ত পদ। এর মূল ধাতু হলো 'বুধ্' (জানা বা বোঝা) এবং এর সাথে কৃৎ প্রত্যয় 'তি' যুক্ত হয়েছে। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে, ধ্ + ত = দ্ধ হয়। সুতরাং, বুধ্ + তি = বুদ্ধি।
জব সলুশন