বাংলাদেশের পাহাড় শ্রেণীর ভূতাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে-
টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার কালে যেসব পাহাড় গড়ে উঠেছে সেগুলকে টারশিয়ারী য্যগের পাহাড় বলে। এ সকল পাহাড় বেলে পাথর, স্লেট পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এলাকার পাহাড়গুলো টারশিয়ারী যুগের পাহাড়। বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
Related Questions
১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয় চাঁদনীঘাটে
বাংলাদেশের গবাদি পশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় ৫ মে ১৯৯৫।
শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির আসল নাম ইরান দুখত রাহমাত বানু।
১৬৮৪ সালে পরীবিবির মৃত্যু হলে লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরেই তার সমাধি নির্মাণ করেন।
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র - যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে - - - - - গোয়ালন্দ।
বাংলাদেশে যমুনা নদীর (ব্রহ্মপুত্রের বৃহত্তম শাখানদী) সঙ্গমস্থল পর্যন্ত গঙ্গার মূল শাখাটি পদ্মা নামে পরিচিত। আরও দক্ষিণে গিয়ে গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখানদী মেঘনার সঙ্গে মিশে মেঘনা নাম ধারণ করে শেষপর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
গঙ্গা - ব্রহ্মপুত্র নদীর বদ্বীপ বিশ্বের বৃহত্তম বদ্বীপ।
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও সুরমা - মেঘনা নদীর মিলিত জলপ্রবাহের চেয়ে একমাত্র আমাজন ও কঙ্গো নদীর জলপ্রবাহের পরিমাণ বেশি। পূর্ণ প্লাবনের ক্ষেত্রে একমাত্র আমাজনই দুই নদীর মধ্যে বৃহত্তর।
* অর্থগতগত ভাবে বাংলা শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি, যোগরূঢ়।
* উৎপত্তি অনুসারে শব্দ পাঁচ প্রকার : তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি ।
* গঠনগত দিকে শব্দ দুই ভাগে বিভক্ত; মৌলিক ও সাধিত।
জব সলুশন