কবি কঙ্কন” কার উপাধি?
ক) বিজয় গুপ্ত
খ) দ্বিজ মাধব
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ঘ) ভারতচন্দ্র
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার একজন কবির উপাধি। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর বিখ্যাত 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্য রচনার জন্য 'কবিকঙ্কন' উপাধি লাভ করেন। তাঁর কাব্যে তৎকালীন সমাজচিত্রের নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়।
Related Questions
ক) চন্ডিদাশ
খ) বিদ্যাপতি
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ঘ) ভারতচন্দ্র
Note : মিথিলার কবি বিদ্যাপতি তাঁর সুললিত পদাবলীর জন্য বাঙালি সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং তাঁকে 'কবি কন্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এছাড়াও তাঁকে 'মৈথিল কোকিল'ও বলা হয়।
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
Note : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য এবং বাংলা উপন্যাসকে শিল্পরূপ দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধি দেওয়া হয়েছে।
ক) ঈশ্বরগুপ্ত
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
গ) ভারতচদ্র রায়
ঘ) আলাওল
Note : কবি ভারতচন্দ্র রায় তাঁর পাণ্ডিত্য ও কাব্য রচনার দক্ষতার জন্য নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র কর্তৃক 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য।
ক) সাহিত্যসম্রাট
খ) সাহিত্য বিশারদ
গ) সাহিত্যরত্ম
ঘ) তর্করত্ম
Note : নজিবর রহমান, যিনি 'আনোয়ারা' উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, তাকে 'সাহিত্যরত্ন' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তিনি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সমাজের জীবনচিত্র তুলে ধরার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
ক) হের
খ) হাস
গ) খা
ঘ) ঘষ
Note :
যে সব ধাতুর মূল বা উৎস সংস্কৃত বা অন্য কোনো পরিচিত ভাষা থেকে নির্ণয় করা যায় না, সেগুলোকে অজ্ঞাতমূল ধাতু বা দেশি ধাতু বলা হয়। 'হাস্' (সংস্কৃত: হস্), 'খা' (সংস্কৃত: খাদ), 'ঘষ্' (সংস্কৃত: ঘৃষ্) ইত্যাদি সংস্কৃত থেকে আগত। কিন্তু 'হের্' (দেখা অর্থে) ধাতুর উৎস অজ্ঞাত, তাই এটি একটি অজ্ঞাতমূল ধাতু।
ক) বিশেষ্য
খ) বিশেষণ
গ) ক্রিয়া
ঘ) অব্যয়
Note :
যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধন্যাত্মক অব্যয় বলে। যেমনঃ টাপুর টুপুর, গুনগুন, ঝমঝম,কড় কড়, মর মর, শন শন ইত্যাদি।
জব সলুশন