অন্নদামঙ্গল” কাব্য কে রচনা করেন?
ক) কানাহরি দত্ত
খ) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ঘ) রূপরাম চক্রবর্তী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর এই কাব্য রচনা করেন এবং এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত সৃষ্টি।
Related Questions
ক) বড়ু চন্ডীদাস
খ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
গ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ঘ) কেতকাদাস
Note : প্রশ্নটি মঙ্গলকাব্য ধারার চন্ডীমঙ্গল শাখার প্রধান কবি সম্পর্কে। মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তার 'অভয়ামঙ্গল' বা 'চন্ডীমঙ্গল' কাব্যের জন্য এই ধারার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে স্বীকৃত। তাকে কবিকঙ্কণ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
ক) রাজপ্রাসাদে
খ) গোয়ালঘরে
গ) কুঁড়েঘরে
ঘ) গ্রন্থাগারে
Note : মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' এর আবিষ্কার । বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেছিলেন।
ক) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
খ) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
গ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
ঘ) ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য
Note : মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন তাই এটিই সঠিক উত্তর।
ক) ১০০°
খ) ১০৮°
গ) ৯৯°
ঘ) ২১২°
Note : সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে (1 atm) বিশুদ্ধ পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। এটি পানির স্ফুটনাঙ্ক।
ক) 11%
খ) 12%
গ) 20%
ঘ) 21%
Note :
ধরি বর্গের বাহু ১০ একক। ক্ষেত্রফল ১০০। ১০% বৃদ্ধিতে নতুন বাহু ১১ একক। নতুন ক্ষেত্রফল ১১²=১২১। ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পেল ১২১-১০০=২১। শতকরা বৃদ্ধি (২১/১০০)×১০০% = ২১%।
ক) 90°
খ) 120°
গ) 180°
ঘ) 270°
জব সলুশন